

কয়েকদিন আগেই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল বিষয়টা। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাতে সিলমোহর পড়ল। বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজেজু এবং সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। গত ২৪ মার্চ নিউটাউনের একটি হোটেলে বিজেপি নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন লিয়েন্ডার। তখনই তাঁর যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গেছিল। এর আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন টেনিস তারকা।
এদিন পদ্ম-পতাকা হাতে তুলে নিয়ে লিয়েন্ডার বলেন, "আজ আমার জীবনের একটি বড় দিন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ। বিজেপি আমাকে সুযোগ দিয়েছে দেশ ও দেশবাসীর সেবা করার জন্য। ৪০ বছর ধরে আমি দেশের হয়ে খেলেছি। এবার নতুন খেলার সুযোগ পেয়েছি আমি। ভারতে খেলার যে পরিকাঠামো, আগামী ২০ বছর পরে তার রূপরেখা আরও উন্নত করে লক্ষ্য।"
বাংলার সাথে তাঁর সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, "আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু আমি যখন খেলা শুরু করি তখন ওখানে টেনিসের এতো পরিকাঠামো ছিল না। আজও দেশে কোনও ইনডোর টেনিস কোর্ট নেই। আমরা এমন একটা দেশে থাকি যেখানে ২-৩ মাস বর্ষা কাল। এই পরিস্থিতিতে এখানে ইনডোর টেনিস কোর্ট প্রয়োজন। বাংলা, হায়দরাবাদ, তামিলনাড়ু সব জায়গাতেই আমরা স্পোর্টস এডুকেশনে ফোকাস করবো।"
বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও লিয়েন্ডারের বঙ্গ-যোগের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, "লিয়েন্ডার পেজ পশ্চিমবঙ্গেরই ছেলে। তাঁর মা কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের উত্তরসূরি। লিয়েন্ডারের ছবি, খেলার ভিডিয়ো, তাঁর ম্যাচ দেখে বাঙালি যুব সমাজ বড় হয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে আমার মনে হয়।” পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে লিয়েন্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন এই টেনিস তারকা। ২০২২ সালে গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন ছিল। তার আগে ২০২১ সালের শেষের দিকে গোয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন পেজ।
এদিন পেজ বিজেপিতে যোগ দিতেই সোস্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের কটাক্ষ, "অভিনন্দন (বিজেপি)। আপনারা শেষ পর্যন্ত গোয়ার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীকে খুঁজে পেলেন। পশ্চিমবঙ্গে আরও এক বহিরাগতকে নিয়ে এল বিজেপি।"
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন