

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে আইভোরি কোস্টকে হারিয়ে 'গ্রুপ ই' থেকেই নক আউট পর্বে জায়গা করে নিলো জার্মানি। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এই প্রথম নক আউট পর্বে জায়গা পেলো চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও সুপার সাব ডেনিশ উনদাভের জোড়া গোলে জয় তুলে নিয়েছেন ম্যানুয়াল ন্যুয়ার, জশুয়া কিমিখরা। অন্যদিকে একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হলো আইভোরি কোস্টকে।
এই ম্যাচের আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে শেষ ন’ম্যাচ জিতেছিল জার্মানি। শেষ ম্যাচে বিশ্বকাপে প্রথম খেলতে আসা কুরাসাওকে সাত গোলের মালা পরিয়েছিল তারা। তবে আইভোরি কোস্টের কাছে জার্মানির গত ম্যাচের সেই দাপট বজায় থাকেনি। দিদিয়ের দ্রোগবার দেশ একসময় রীতিমত জার্মানিকে কোণঠাসা করেই ছেড়েছিল। ম্যাচের ৩০ মিনিটে দিয়োমান্দের ক্রস গোলের সামনে পেয়েছিলেন আমাদ দিয়ালো। সেই বল ন্যুয়ার কোনও রকমে বাঁচালেও ফিরতি বলে গোল করেন ফ্র্যাঙ্ক কেসি। এরপর একের পর এক প্রতিআক্রমণে টরোন্টোতে জার্মান রক্ষণের চোখ ধাঁধিয়ে দেয় আইভোরি কোস্ট।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলেন না জশুয়া কিমিখরা। ৬০ মিনিটের মাথায় জামাল মুসিয়ালার বদলি হিসেবে নাগালসম্যান মাঠে নামান ডেনিশ উনদাভকে। নাগালসম্যানের এই এক চালেই ম্যাচের সমীকরণ বদলে যায়। ৬৮ মিনিটের মাথায় আমিরির ক্রস থেকে গোল করে জার্মানিকে সমতা এনে দেন উনদাভ। এরপর আক্রমণের ঝাঁঝ জার্মানির বাড়তে থাকে। পাল্টা আক্রমণ করে আইভোরি কোস্টও। কিন্তু একাধিক সুযোগ পেয়েও আইভোরি কোস্ট আর গোলের দেখা পায়নি।
একসময় মনে হয়েছিল ম্যাচের ফলাফল হবে ১-১। কিন্তু রেফারির শেষ বাঁশি বাজানোর মিনিট দুয়েক আগে আইভোরি কোস্টের গোলে বল জড়িয়ে দেন সেই উনদাভ। ২-১ গোলে ম্যাচ জিতে দীর্ঘ বারো বছর পর ফের নক আউট পর্বে ইউরোপের এই ফুটবলা পরাশক্তি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন