Euro Cup: ফাইনালে টাইব্রেকারে ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিলেন ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট

টাইব্রেকারে হারের পর ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের সমালোচনা শুরু করেছেন একাংশ। ফাইনালের মতো মঞ্চে কেন অনভিজ্ঞ তরুণ ফুটবলারদের শট নিতে পাঠানো হলো! তবে সাউথগেট নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন হারের বোঝা।
ফাইনালে ইতালির বিরুদ্ধে হারের পর ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়রা
ফাইনালে ইতালির বিরুদ্ধে হারের পর ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়রা ছবি ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ট্যুইটার হ্যান্ডেলের সৌজন্যে
Published on

ইতালির কাছে ফাইনালে হেরে ইউরো কাপ অধরাই রয়েছে ইংল্যান্ডের। ফাইনালে টাইব্রেকারে প্রথম দুটি শটে গোল এলেও শেষ তিন স্পট কিকের তিনটিতেই ব্যর্থ হয় থ্রি লায়ন্সরা। টাইব্রেকারে হারের পর ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের সমালোচনা শুরু করেছেন একাংশ। ফাইনালের মতো মঞ্চে চাপের মুখে কেন অনভিজ্ঞ তরুণ ফুটবলারদের শট নিতে পাঠানো হলো! সেই প্রশ্ন উঠেছে ফুটবল মহলে। তবে সাউথগেট নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন হারের বোঝা।

সাউথগেট টাইব্রেকারে কথা মাথায় রেখে মার্কাস র‍্যাশফোর্ড এবং জ্যাডন স্যাঞ্চোকে নামান সাউথগেট। যার মধ্যে র‍্যাশফোর্ডের বল পোস্টে গিয়ে লাগে এবং স্যাঞ্চোর বল আটকে দেন ইতালি গোলরক্ষক ডোন্নারুমা। শেষ শট নিতে যান বুকায়ো সাকা। যার বলও আটকে দেন ডোন্নারুমা। আর্সেনালের এই তরুণ ফুটবলারের বয়স মাত্র ১৯। চাপের মুখে শেষ শট সাকাকে কেন নিতে পাঠানো হলো! হ্যারি কেন কিংবা হ্যারি ম্যাগুয়েরের মতো অভিজ্ঞরা কেনো প্রথমে শট নিয়ে চলে গেলেন সে প্রশ্ন এখন ফুটবল মহলে।

ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট বলেন, "পেনাল্টি কে মারবে তা আমার সিদ্ধান্ত ছিলো। অনুশীলনে প্রত্যেককে ভাল করে দেখার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কাউকে দোষী বানানো উচিত নয়। আমরা জিতেছি দল হিসেবে, হারের দায়ও আমাদের সবাইকে নিতে হবে।"

সাউথগেট আরও বলেন, "সকলেই হতাশ। তবে দলকে দলকে এত দূর টেনে আনা মুখের কথা নয়। ওদের কৃতিত্ব প্রাপ্য। বিপক্ষ দল ভালো খেলেছে। তবে ফুটবলাররা নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন।"

গতরাতে ইতিহাস রচনার রাতে খালি হাতেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। ১৯৬৮ সালের পর আবার ইউরো শিরোপা জিতলো ইতালি। আজ্জুরিরা শিরোপা উড়িয়ে নিয়ে গেলো রোমে। ফাইনালে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন লিওনার্দো বনুচ্চি।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in