Durand Cup: ২৫ জুলাই থেকে শুরু ডুরান্ড কাপ, এই প্রথম আয়োজক শহর হিসেবে আত্মপ্রকাশ রাঁচির

People's Reporter: এবারের টুর্নামেন্টটি কলকাতা, রাঁচি, গুয়াহাটি, ইম্ফল এবং শিলং-এ আয়োজিত হবে। উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টের দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথমবার আয়োজক শহর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে রাঁচি।
ডুরান্ড কাপ ট্রফি
ডুরান্ড কাপ ট্রফিছবি সংগৃহীত
Published on

আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু হবে ১৩৫ তম ডুরান্ড কাপ। শেষ হবে ২৩ অগাস্ট। এশিয়ার প্রাচীনতম এবং বিশ্বের তৃতীয় প্রাচীনতম এই ফুটবল টুর্নামেন্ট আরও একবার ২৪টি দলকে এক ছাতার তলায় আনতে চলেছে। পাঁচটি আয়োজক শহর জুড়ে হতে চলা এই ফুটবল-যজ্ঞ প্রমাণ করে যে, ভারতীয় ফুটবলের হৃদয়ে ডুরান্ড কাপের জায়গা আজও কতটা অটুট।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে 'ডুরান্ড কাপ'-এর বিস্তার চোখে পড়ার মতো। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে নিজেদের বিস্তৃতি বাড়ানোর পাশাপাশি, এটি এমন এক মঞ্চ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্লাব, সার্ভিসেস দল এবং আগামী দিনের তরুণ প্রতিভারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে।

এবারের টুর্নামেন্টটি কলকাতা, রাঁচি, গুয়াহাটি, ইম্ফল এবং শিলং-এ আয়োজিত হবে। উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টের দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথমবার আয়োজক শহর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে রাঁচি। মোট ছ'টি স্টেডিয়ামে খেলাগুলো হবে:

কলকাতা: বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন এবং কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গন।

রাঁচি: বিরসা মুন্ডা স্টেডিয়াম।

গুয়াহাটি: ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়াম।

ইম্ফল: খুমান লাম্পাক স্টেডিয়াম।

শিলং: জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম।

১৩৫তম আসরে পা রেখেও ডুরান্ড কাপ তার পুরনো জৌলুস এতটুকু হারায়নি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই টুর্নামেন্ট উঠতি খেলোয়াড়দের প্রমাণ করার এক দুর্দান্ত মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সার্ভিসেস দল থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী ক্লাব, নতুন অ্যাকাডেমি বা রাজ্য দল—সবার জন্যই ডুরান্ড কাপ হলো ভারতীয় ফুটবলে নিজেদের ছাপ ছাড়ার এক অনন্য মাধ্যম।

ডুরান্ড কাপের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর বৈচিত্র্য। শুধু দেশের বড় বা প্রতিষ্ঠিত ক্লাবগুলোকেই নয়, বরং নতুন ক্লাব এবং প্রতিভাবান তরুণদেরও সুযোগ করে দেয় এই টুর্নামেন্ট, যাতে তারা সেরা দলগুলোর বিরুদ্ধে খেলে নিজেদের আরও শানিয়ে নিতে পারে। সেরা দলগুলোর সাথে তরুণদের এই টক্করই গত এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ডুরান্ড কাপের মূল আকর্ষণ।

২০১৯ সালে পূর্ব ভারতে আসার পর থেকে ডুরান্ড কাপ যেন নবজন্ম লাভ করেছে। ১৬টি দলের টুর্নামেন্ট থেকে এটি এখন ২৪টি দলের এক মহাযুদ্ধে পরিণত হয়েছে। তিন সশস্ত্র বাহিনীর হয়ে ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকে, যেখানে সেনা দলগুলোর সাথে দেশের নামীদামি ক্লাবগুলোর এক দারুণ লড়াই দেখতে পাওয়া যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিবেশী দেশের সেনা দলগুলোও এতে অংশগ্রহণ করছে। ২টি বিদেশি দল-সহ মোট ২৪টি দলের এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলের তালিকা, গ্রুপিং, ফিক্সচার এবং নকআউট সূচি খুব শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। আগামী ২৩ অগাস্ট মেগা ফাইনালের মধ্যে দিয়ে পর্দা নামবে এই ফুটবল মহোৎসবের, যেখানে নতুন চ্যাম্পিয়নরা শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহাসিক ট্রফি নিজেদের নামে করবেন।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in