তৃণমূলকে “উদ্দীপ্ত যোদ্ধা” সম্বোধন RSS -এর

তৃণমূল-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক আঞ্চলিক দলকে উদ্দীপ্ত যোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করল আরএসএস। তাদের বক্তব্য, বিজেপি এদের সঙ্গে রফায় পৌঁছতে খুব বেশি পিছিয়ে নেই।
তৃণমূলকে “উদ্দীপ্ত যোদ্ধা” সম্বোধন RSS -এর
গ্রাফিক্স- নিজস্ব

তৃণমূল-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক আঞ্চলিক দলকে উদ্দীপ্ত যোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করল আরএসএস। তাদের বক্তব্য, বিজেপি এদের সঙ্গে রফায় পৌঁছতে খুব বেশি পিছিয়ে নেই। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু-সহ পাঁচটি রাজ্যে সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সেই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আঞ্চলিক দলগুলির ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে আরএসএস।

একইসঙ্গে তৃণমূল-সহ অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলিকে 'স্পিরিটেড ফাইটার' বা 'উদ্দীপ্ত যোদ্ধা' বলে সম্বোধন করেছে। সংঘের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার আবার রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরেছে। সেখানে বিজেপিও তাৎপর্যপূর্ণভাবে নিজেদের তুলে ধরেছে। বঙ্গের কমিউনিস্ট, কংগ্রেস খাতা খুলতে পারেনি। যদিও কেরলে কমিউনিস্টরা ক্ষমতায় এসেছে। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদলের ধারাবাহিকতা এবার রুখে দিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। যদিও সেখানে নিজেদের ভরাডুবির কথা উল্লেখ করেনি সংঘ।

সংঘের মুখপত্রে 'উদ্দীপ্ত যোদ্ধা: আঞ্চলিক দলগুলির রাজনৈতিক নেতাদের সম্পর্কে আকর্ষণীয় যা কিছু' শীর্ষক প্রবন্ধে ডিএমকে, অসমের বাহারউদ্দিন আজমল পরিচালিত এআইইউডিএফ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, আঞ্চলিক দলগুলি এখন প্রকৃতপক্ষে কিং মেকারের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এখানেই জর্জ ফার্নান্ডেজের কথা উল্লেখ করা হয়। তিনি একসময় মমতার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, জর্জ ফার্নান্ডেজের টাকাতেই তৃণমূল ভবন তৈরি হয়েছিল। ফার্নান্ডেজ এক সময় বলেছিলেন, হয় আপনি মেনে নিন, নয়ত খারাপ লাগলেও শিখুন যে, আঞ্চলিক দলগুলির ভূমিকা কোনও ভাবেই ছোট করে দেখা যাবে না। সেই বার্তার ভিত্তি করে বিজেপিকে বার্তা দেওয়া হয়েছে এই মুখপত্রে।

তৃণমূল, এনসিপি, ওয়াইএসআর, তেলেঙ্গানা টিআরএস-এর কথা উল্লেখ করে সংঘ লিখেছে, এরা কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসেছিল। আর এখন এরাই অনেক রাজ্যে ক্ষমতায় আছে। এরা এতটাই শক্তিশালী যে ১৯৯০ সালে আকালি নেতা সুরজিৎ সিং বার্নালা প্রায় প্রধানমন্ত্রী হয়ে গিয়েছিলেন। আর ভাগ্যক্রমে এইচডি দেবেগৌড়া আর তার সহকর্মী আইকে গুজরাল প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। টিডিপি জনতা দল, সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলি যারা তৃতীয় ফ্রন্ট গড়ার কারিগর ছিল, তারাও এখন অনেকটাই চরিত্র বদলেছে।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in