বাবু জগজীবন রামের জন্মদিবসে প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইটে ছবি বিভ্রাট - কটাক্ষ নেটিজেনদের

প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইটে ছবি বিভ্রাট। যার জেরে নেটিজেনদের তুমুল কটাক্ষ ধেয়ে এলো সেই ছবি ঘিরে। গতকাল ৫ এপ্রিল সকাল ৯.৪৬ মিনিটে করা এই ট্যুইট এখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে আছে।
প্রধানমন্ত্রীর যে ট্যুইটে ছবি বিভ্রাট
প্রধানমন্ত্রীর যে ট্যুইটে ছবি বিভ্রাটপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে স্ক্রীনশট
Published on

প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইটে ছবি বিভ্রাট। যার জেরে নেটিজেনদের তুমুল কটাক্ষ ধেয়ে এলো সেই ছবি ঘিরে। গতকাল ৫ এপ্রিল সকাল ৯.৪৬ মিনিটে করা এই ট্যুইট এই খবর লেখা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে আছে। ইতিমধ্যেই এই ট্যুইটে লাইক করেছেন ১৯.৮ হাজার জন। ৪,১৬৬ টি রিট্যুইট হয়েছে। ১,৩৯০ জন এই ট্যুইটে মন্তব্য করেছেন।

গতকাল ছিলো বিশিষ্ট রাজনীতিক বাবু জগজীবন রামের ১১৫ তম জন্মদিবস। সেই উপলক্ষ্যে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে তাঁর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাল্যদানের একটি ছবি ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিবাদ বাধে এই ছবি নিয়েই। কারণ ছবিতে প্রধানমন্ত্রীর ঠিক পরেই দাঁড়িয়ে আছেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি। যিনি ২০১৯ সালের ২৪ আগস্ট প্রয়াত হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই ট্যুইটের পরেই সমালোচনা ধেয়ে আসে নেটিজেনদের। জনৈক প্রণব কুমার লেখেন – “জেটলী জী কীভাবে জীবিত হয়ে গেলেন? মাননীয় মহাশয়, আপনি প্রধানমন্ত্রীর মত গুরুত্বপূর্ণ পদে আছে। শ্রদ্ধাঞ্জলির পুরোনো ছবি আপনার শেয়ার করা উচিৎ নয়।

জনৈক আর কে নারেদলা লিখেছেন, এই ছবি বহু পুরোনো। কারণ এই ছবিতে অরুণ জেটলীজী আছেন। এর অর্থ…তিনি কি আদৌ আজ বাবু জগজীবন রামকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন?

ওমপ্রকাশ চৌধুরী লিখেছেন, আজ তো কামাল হয়ে গেছে। মৃত অরুণ জেটলীকে মোদীজী জীবিত করে ওনার সাথে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন।

আনন্দ মাধব লিখেছেন, এটা সত্যিই বিরাট শ্রদ্ধা নিবেদন। কারণ প্রয়াত অরুণ জেটলীও বাবু জগজীবনকে শ্রদ্ধা জানাতে চলে এসেছেন। তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।

যদিও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষেও অনেকে মুখ খুলেছেন। যেমন নবীন বাটরা লিখেছেন, এই ছবিতে কোথায় লেখা আছে যে প্রধানমন্ত্রী আজই শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন?

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in