

গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রী। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন কোন মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন -
● মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় - নিজের গড় ভবানীপুরেই পরাজিত হলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশী ভোট পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
● ব্রাত্য বসু - নিজের পুরোনো কেন্দ্র দমদম থেকে পরাজিত হয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ২৫,২৭৩ ভোটে বিজেপির অরিজিৎ বক্সীর কাছে হেরেছেন তিনি।
● চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য - উত্তর দমদম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। বিজেপির সৌরভ সিকদারের কাছে ২৬ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি।
● সুজিত বসু - তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী সুজিত বসু হেরেছেন ৩৭ হাজারেরও বেশি ভোটে। বিধাননগর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন তিনি। এই কেন্দ্রে জিতেছেন বিজেপির শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
● জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক - ৩১ হাজারের বেশি ভোটে হাবড়া কেন্দ্র থেকে পরাজিত হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়িয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে জেলবন্দী ছিলেন তিনি। কয়েক মাস আগে মুক্তি পেয়েছেন।
● বেচারাম মান্না - ২১ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন কৃষিমন্ত্রী বেচারাম মান্না। সিঙ্গুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন তিনি। এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন বিজেপির অরূপ কুমার দাস।
● শশী পাঁজা - এবারও শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন শশী পাঁজা। বিজেপির পূর্ণিমা চক্রবর্তীর কাছে ১৪,৬৩৩ ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি।
● অরূপ বিশ্বাস - টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে বিজেপির পাপিয়া দে অধিকারীর কাছে ৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন অরূপ বিশ্বাস।
● মলয় ঘটক - আসানসোল উত্তর থেকে পরাজিত হয়েছেন মলয় ঘটক। বিজেপির কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কাছে ১১,৬১৫ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। আইনমন্ত্রী ছিলেন মলয় ঘটক। কিন্তু ভোটের মুখেই তাঁর দফতর কেড়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী।
● মানস ভুঁইয়া - সবং থেকে বিজেপির অমলকুমার পান্ডার কাছে ১১১৩৬ ভোটে পরাজিত হয়েছেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়া।
● ইন্দ্রনীল সেন - চন্দননগর থেকে লড়েছিলেন বিদায়ী মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। বিজেপির দীপাঞ্জন কুমার গুহের কাছে ১০ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি।
● এছড়াও পরাজিত হয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী (জাঙ্গিপাড়া),
● উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (দিনহাটা),
● বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা (বিনপুর),
● গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী (মন্তেশ্বর),
● পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার (দুর্গাপুর পূর্ব),
● ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো (শালবনি),
● স্কুলশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন (হেমতাবাদ)।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন