

টিআরপি কেলেঙ্কারি নিয়ে এবার বোমা ফাটালেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। বার্ক-এর সিইও পার্থ দাশগুপ্তের সঙ্গে অর্ণব গোস্বামীর হোয়াটসঅ্যাপে বিনিময় হওয়ার বার্তার কিছু স্ক্রিনশট তুলে ধরেছেন প্রশান্ত ভূষণ। সূত্রের খবর, হোয়াটসঅ্যাপে অর্ণব ও পার্থর কী কথা চালাচালি হয়েছিল, ৫০০ পাতার এই চ্যাট সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
ভূষণের টুইট করা স্ক্রিনশটের সত্যাসত্য যাচাই করা না হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় তা বিতর্কের ঝড় তুলেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, অর্ণব দাবি করছেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (পিএমও), তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক, এনএসএ এবং অজ্ঞাত কোনও 'এএস'-এর সঙ্গে তাঁর এত ঘনিষ্ঠতা রয়েছে যে, সরকারি অনেক গোপন তথ্যই তিনি আগেভাগে জানতে পারেন। তা সে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বদলই হোক, বা পিএমও থেকে নৃপেন্দ্র মিশ্রের অপসারণ।
এমনকী, ওই স্ক্রিনশটে দেখা যায়, অর্ণব তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকরকে 'অপদার্থ' বলেছেন এবং জানিয়েছেন, স্মৃতি ইরানি ওই পদে থাকলে তাঁর সুবিধা হত। ব্যবসায়িক ফায়দার জন্য 'এএস'-এর সঙ্গে সম্পর্কের অপব্যহার করা, বিএআরসি থেকে ব্যবসায়িক প্রতিযোগীদের তথ্য জোগাড় করা, অন্য চ্যানেলের বিরুদ্ধে ছক কষার প্রসঙ্গও রয়েছে ভূষণের ফাঁস করা ছবিগুলোতে। ভূষণের মতে, 'আইনের শাসন থাকা যে কোনও দেশে এই ব্যক্তির দীর্ঘমেয়াদি জেল হত।'
টিআরপি দুর্নীতি নিয়ে ব্রডকাস্ট অডিয়েন্স রিসার্চ কাউন্সিল (বার্ক), অর্ণব গোস্বামীর টিভি চ্যানেল ও অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নভেম্বরে ১৪০০ পাতার চার্জশিট দিয়েছিল মুম্বই পুলিশ। চলতি সপ্তাহে ৩৪০০ পাতার অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দিয়েছে তারা।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন