মুজফফরনগর, মথুরা, বাগপতের পর বিজনোরের মহাপঞ্চায়েতে বড়ো জমায়েত, ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে কৃষক আন্দোলন

মুজফফরনগর, মথুরা, বাগপতের পর বিজনোরের মহাপঞ্চায়েতে বড়ো জমায়েত, ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে কৃষক আন্দোলন
বিজনৌরের মহাপঞ্চায়েতছবি জয়ন্ত চৌধুরীর ট্যুইটার হ্যান্ডেলের সৌজন্যে

মুজফ্ফরনগর, মথুরা, বাগপাতের পর সোমবার উত্তরপ্রদেশে আরো একটি মহাপঞ্চায়েতের আয়োজন করেছিল কৃষকরা। বিজনোরের এই সভাতে ১৫ হাজারেরও বেশি কৃষক উপস্থিত হয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্রের কৃষক নেতারা এই সমাবেশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাঁদের কথায়, এই কৃষক আন্দোলন এখন আর উত্তর ভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের যুব শাখার সভাপতি গৌরব টিকাইত সমাবেশস্থলে দাঁড়িয়ে বলেন, "নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এসে এখনও পর্যন্ত ১৫০ জনের বেশি কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন। দুর্ভাগ্যক্রমে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একবারও এই কৃষকদের মৃত্যু নিয়ে কোনো কথা বলেননি। কৃষকদের অভিযোগ শুনবেন না বলে নিজের কান বন্ধ রেখেছেন তিনি। এই সরকার অহংবোধে পরিপূর্ণ এবং কৃষকদের উচিত এই আন্দোলনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়া।”

তিনি আরো বলেন, "এই সরকার আন্দোলনকে ভেঙে দিতে চাইছে। খালিস্তানের নামে কৃষকদের বদনাম করতে চাইছে। আমরা পাকিস্তানি বা খালিস্তানি নই, আমরা ভারতীয় কৃষক, আমরা একটি আইনের বিরুদ্ধে লড়াই করছি যেই আইন আমাদের ধ্বংস করে দেবে।"

নিজের ভাষণে রাষ্ট্রীয় লোক দলের নেতা জয়ন্ত চৌধুরী কেন্দ্র সরকারকে "ধোঁকাবাজদের সরকার" বলে অভিহিত করেছেন, যারা পুঁজিবাদী শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। তিনি সমস্ত কৃষকদের "হনুমান" হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং "বিজেপির লঙ্কা" ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য সমস্ত শক্তি নিয়ে তাঁদের ঝাঁপিয়ে পড়তে বলেছেন। তিনি বলেন, "উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কৃষকদের অভিযোগের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন না। চলতি মরসুমে সরকার আখের দাম ঘোষণা করেনি বা কৃষকদের পাওনা পরিশোধের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।"

বিকেইউ নেতারা জানিয়েছেন, বিজনোর থেকে প্রচুর কৃষক গাজীপুর সীমান্তের উদ্দেশ্যে শীঘ্রই রওনা দেবেন।

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in