

কোভিড পরিস্থিতিতে আরও বেশি করে গরিব মানুষদের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হবে সরকারকে। তার জন্য সরকারি প্রকল্পের কাজও আরও বেশি করে বাড়াতে হবে। ১০০ দিনের কাজ প্রয়োজনে ১৫০ দিন করতে হবে। এমনটাই মত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমারের মতে, সরাসরি ক্যাশ টাকা গরিবদের হাতে তুলে দেওয়া ঠিক নয়। যদিও অর্থনীতিবিদের মতে, গরিবদের হাতে ক্যাশ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা খুবই ভালো। গরিব মানুষদের কাছে যদি বলা হয়, এটিই তাদের শেষ আয়। তাহলে তারা এই টাকা সঞ্চয় করে রাখবে। খরচ করতে চাইবে না। তাই তাদের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হলে সরকারি প্রকল্প বা ১০০ দিনের কাজের মতো প্রকল্প আরও বেশি করে বাড়াতে হবে। ফলে ক্যাশ টাকা আরও বেশি করে তাদের কাছে যাবে।
মহামারীর আগে যারা দারিদ্রসীমার মধ্যে ছিলেন, মহামারি আসার পর তারা দারিদ্রসীমার নীচে চলে গিয়েছে। যা কখনই অর্থনীতির জন্য ভালো খবর নয়। হোটেল, উৎপাদক সংস্থা ও নির্মাণকাজে এইসব অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের কাজে লাগালে অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হবে। ভারতের এই প্রকল্পের সঙ্গে অন্যান্য দেশের তুলনা করতে গিয়ে অর্থনীতিবিদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকার মানুষরা সপ্তাহে ৬০০ ডলার করে হাতে পান।
তাঁর কথায়- " ফ্রান্স সহ অন্যান্য ইউরোপিয়ান দেশগুলি এই মহামারীতে জনগনের হাতে সরাসরি অনেকটা পরিমান টাকা পৌঁছে দিচ্ছে। যদিও এইসব ব্যাপারে ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক ভীষণ রক্ষনশীল। তবুও তাঁরা এটা করছেন। এমনকি তাঁরা নতুন টাকা ছাপাচ্ছেন- সরাসরি টাকা জনগনের হাতে তুলে দিতে।"
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন