করোনার তৃতীয় ঢেউ অবশ্যম্ভাবী, ভ্যাকসিনের আধুনিকীকরণ প্রয়োজন - মত বিশেষজ্ঞদের

যেকোন সময় করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়বে, তার জন্য প্রস্ত্বুত থাকতে হবে। ভাইরাস রূপ বদল করছে ক্রমাগত, তাই নয়া স্ট্রেনের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে ভ্যাকসিনকেও আপডেট করতে হবে।
করোনার তৃতীয় ঢেউ অবশ্যম্ভাবী, ভ্যাকসিনের আধুনিকীকরণ প্রয়োজন - মত বিশেষজ্ঞদের
ছবি প্রতীকী সংগৃহীত

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইতিমধ্যেই কাঁপছে দেশ। হাসপাতালের বেড থেকে শুরু করে অক্সিজেনের হাহাকার দেশজুড়ে। এরমধ্যেই আবার অশনি সংকেত। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর আসতে চলেছে তৃতীয় ঢেউ। জানালেন সরকারের শীর্ষ বৈজ্ঞানিক পরামর্শদাতা। তবে কবে তা আসতে চলেছে সেই বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা।

তাঁদের দাবি- যেকোন সময় করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়বে, তার জন্য প্রস্ত্বুত থাকতে হবে। ভাইরাস রূপ বদল করছে ক্রমাগত, তাই নয়া স্ট্রেনের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে ভ্যাকসিনকেও আপডেট করতে হবে। ডা. কে বিজয়রাঘবনের কথায়- “যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে তৃতীয় ঢেউ অবশ্যাম্ভাবী। এটা স্পষ্ট নয়, কবে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়বে। আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। ভ্যাকসিনও আপগ্রেড করা দরকার”।

দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে সম্পূর্ন লকডাউন ঘোষণা হয়েছে। দিল্লি, কেরল, মহারাষ্ট্র সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে হাটলেও কেন্দ্রীয় সরকার এখনই সম্পূর্ণ লকডাউনে নারাজ। যদিও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা আটকাতে দেশে কড়া লকডাউনের প্রয়োজন বলে দাবি করছেন এইমসের প্রধান ড. রণদীপ গুলেরিয়া।

দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবার বেসামাল অবস্থা সামাল দিতে পারে একমাত্র লকডাউনই। একের পর এক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসকদের অনবরত কাজ করে যেতে হচ্ছে। এত পরিমাণ রোগী সংখ্যা সামাল দেওয়া বিশ্বের কোনও স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেই সম্ভব নয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে একমাত্র উপায় কঠোর লকডাউন। বিশেষ করে যেসব এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি, সেইসব এলাকায় লকডাউন ছাড়া আর কোনও উপায়ই দেখছেন না এইমসের প্রধান।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in