

ইসরোর মুকুটে নয়া পালক। দীপাবলির আগেই অন্ধ্রপ্রদেশের আকাশ আলোকিত করে মহাকাশে পাড়ি দিল LVM3 রকেট। ৩৬টি কৃত্রিম উপগ্রহকে পৃথিবীর লো অরবিটে প্রতিস্থাপনের উদ্দেশ্যে এই উৎক্ষেপণ।
শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ২৩ অক্টোবর রবিবার ভারতীয় সময় রাত ১২টা ৭মিনিটে লঞ্চ করা হয় রকেটটি। LMV3-M2 মিশনটি বাণিজ্যিক কারণেই মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। এই অভিযানের জন্য ভারতীয় নিউ স্পেস ইন্ডিয়ার সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় বিদেশী সংস্থা OneWeb। উৎক্ষেপণের পর ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট সময় ধরে ৯টি পর্যায়ে কৃত্রিম ৩৬টি উপগ্রহ প্রতিস্থাপন করা হয়।
রকেটের দৈর্ঘ ছিল ৪৩.৫ মিটার। রকেটটি ১০ টন পেলোড বহন করতে সক্ষম হলেও ৬ টন পেলোড দেওয়া হয়। রকেটটির ওজন ৬৪৪ টন। ভারতের সবথেকে ভারী রকেট এটিই। সব ঠিক থাকলে এই ধরণের উৎক্ষেপণ আবার ২০২৩ সালে দেখা যাবে।
ইসরো চেয়ারম্যান সোমানাথ বলেন, ‘আজকের এই কাজটি ভারত ও ভারতীয় মহাকাশ কর্মসূচির জন্য অত্যন্ত ঐতিহাসিক। লো আর্থ অরবিটে সবচেয়ে ভারী পেলোড সহ LVM3-এর প্রথম বাণিজ্যিক লঞ্চ এটি। প্রথমএ LVM3 4 টন পেলোড ক্ষমতা সহ জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট নিয়ে লঞ্চ করার পরিকল্পনা ছিল। যা লো আর্থ অরবিটের-এর জন্য 6 টন পেলোড চালু করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে’।
OneWeb-র এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তাল বলেন, আমি শ্রীহরিকোটাতে আমার সতীর্থ, ইসরো ও NSIL কর্মীদের সাথে থাকতে পেরে খুবই গর্বিত। আজ আমার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। এই উৎক্ষেপণের ফলে ভারতে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন