Uttar Pradesh: ৩০০-র বেশি আসন জেতার দাবির পরেও মোদীর একাধিক সফর বলছে রাজ্য নিয়ে চিন্তিত বিজেপি

ভারতীয় জনতা পার্টি যদিও দাবি করছে যে তারা উত্তরপ্রদেশে ৩০০-র বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসবে, তবু ঘটনা পরম্পরা বলছে নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হওয়ার সাথে সাথে বিজেপির স্নায়ুর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
Uttar Pradesh: ৩০০-র বেশি আসন জেতার দাবির পরেও মোদীর একাধিক সফর বলছে রাজ্য নিয়ে চিন্তিত বিজেপি
অখিলেশ যাদব ও যোগী আদিত্যনাথফাইল ছবি সংগৃহীত

২০২২ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই এই নির্বাচনী যুদ্ধ কম রাজনৈতিক এবং এমনকি কম ইস্যুভিত্তিক হয়ে উঠছে। নির্বাচনী প্রচারে আপাতত পারস্পরিক দোষারোপের পালা চলছে। যা বর্তমানে বিজেপি এবং সমাজবাদী পার্টির মধ্যে সরাসরি লড়াইয়ের দিকেই রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

ভারতীয় জনতা পার্টি যদিও দাবি করছে যে তারা উত্তরপ্রদেশে ৩০০-র বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসবে, তবু ঘটনা পরম্পরা বলছে নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হওয়ার সাথে সাথে বিজেপির স্নায়ুর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যে একাধিক সফর করেছেন এবং বিজেপির সমস্ত শীর্ষ নেতা ও মন্ত্রীদের উত্তরপ্রদেশে জয় নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যা থেকে উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজেপি যে সত্যিই চিন্তিত তা আরও প্রকট হয়ে উঠছে।

স্পষ্টতই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে কিনা তা অনেকটাই ঠিক করে দেবে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের ফলাফল। রাজ্যের ৮০টি লোকসভা আসনই আগামী লোকসভা নির্বাচনে পরবর্তী কেন্দ্রীয় সরকারের মূল চাবিকাঠি হবে।

উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে কিনা তা অনেকটাই ঠিক করে দেবে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের ফলাফল।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। দলের কর্মীদের বুথ পর্যায়ে অতিরিক্ত সময় ধরে কাজ করানো হচ্ছে এবং দলের নেতারা তাদের কাজকর্ম ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে সমস্ত ধরণের মিডিয়া - টিভি, সংবাদপত্র এবং ডিজিটাল-এ ব্যাপক প্রচার শুরু করেছে। স্লোগান, গান, শর্ট ফিল্ম এমনকি কার্টুন ব্যবহার করে যোগী আদিত্যনাথকে একজন অতুলনীয় এবং অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রজেক্ট করা হচ্ছে। একজন হিন্দু নেতা হিসাবে তিনি রাজ্যে বিভিন্ন মাফিয়াদের বিরুদ্ধে যেসব ব্যবস্থা নিয়েছেন তাতে রাজ্যে পরিবর্তন এসেছে বলেও ওই প্রচারে তুলে আনা হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে বিজেপির প্রচারে এখন উন্নয়নের থেকে সমাজবাদী পার্টিকে বেশি করে আক্রমণ করা হচ্ছে। 'ফরক সাফ হ্যায়' শিরোনামের শর্ট ফিল্মে প্রতিটি ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে আক্রমণ করা হয়েছে।

যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রচারে যোগী আদিত্যনাথের আধিপত্য এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে সমর্থন জানানোয়, উত্তরপ্রদেশে বিজেপির পরিস্থিতি ভালো হবার সম্ভাবনা কম।

এর ওপর রাজ্যে বিজেপি যে বড়ো সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে তা হল প্রার্থী বাছাই। দলীয় সূত্র অনুসারে, প্রায় ৫০ শতাংশ বর্তমান বিজেপি বিধায়ক মনোনয়ন নাও পেতে পারেন। কারণ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে তাদের দুর্বলতা এবং তাদের নির্বাচনী এলাকায় অ-কার্যকারিতার কারণে নির্বাচনে সমস্যায় পড়তে পারে বিজেপি। যদিও বিজেপি বর্তমান বিধায়কদের বদলে নতুন মুখ দিয়ে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাকে আটকাতে চায়। সূত্র অনুসারে, বড়ো সংখ্যায় – প্রায় ১৫০ কেন্দ্রে প্রার্থী পরিবর্তন করা হলে মনোনয়ন না পাওয়া বিধায়করা নির্বাচনের সময় অন্তর্ঘাত করতে পারেন বলেও আশংকা আছে বিজেপির অন্দরে।

যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রচারে যোগী আদিত্যনাথের আধিপত্য এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে সমর্থন জানানোয়, উত্তরপ্রদেশে বিজেপির পরিস্থিতি ভালো হবার সম্ভাবনা কম।

বিজেপির দুই বিধায়ক - সীতাপুর থেকে রাকেশ রাঠোর এবং সন্ত কবির নগরের দিগ্বিজয় নারায়ণ চৌবে – ইতিমধ্যেই দল ছেড়ে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিয়েছেন৷ অন্যান্য দল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতাদের জায়গা দেওয়ার কঠিন কাজও বিজেপির সামনে।

দলের এক বিশিষ্ট নেতা বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, "এটা স্পষ্ট যে সাম্প্রতিক সময়ে যারা দলে যোগ দিয়েছেন তারা বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট প্রত্যাশী। নেতৃত্বকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়। কারণ তাঁদের সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব নয়।"

সমাজবাদী পার্টি, যারা এই মুহূর্তে ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে উঠে দাঁড়িয়েছে, দৌড়ে অন্যান্য দলগুলির থেকে অনেকটাই এগিয়ে। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব অত্যন্ত চাতুর্যের সঙ্গে ছোট বর্ণ গোষ্ঠীগুলির একটি জোটকে একত্রিত করেছেন - বেশিরভাগই ওবিসি শ্রেণী থেকে এবং তিনি তার প্রতিটি নির্বাচনী জনসংযোগ যাত্রায় যোগী আদিত্যনাথ সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরছেন।

সমাজবাদী পার্টি, যারা এই মুহূর্তে ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে উঠে দাঁড়িয়েছে, দৌড়ে অন্যান্য দলগুলির থেকে অনেকটাই এগিয়ে।

এসপি সভাপতি অবশেষে তাঁর দলত্যাগী কাকা, শিবপাল সিং যাদবের সাথেও মতপার্থক্য দূর করে জোট ঘোষণা করেছেন, যার ফলে যাদব ভোটে আর কোনও বিভাজন হবার সম্ভাবনা কম। আসলে বিজেপি ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার জন্য বিজেপি যে কৌশল অবলম্বন করেছিলো অখিলেশ সেই একই কৌশল ব্যবহার করে বিজেপির চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

সমাজবাদীদের প্রচারের মূল ভিত্তি হল মূল্যস্ফীতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, যা সমাজের প্রতিটি অংশকে প্রভাবিত করেছে।

অখিলেশ যাদব সরষের তেল, পেট্রোল, ডিজেলের দাম, বেকারত্ব, কৃষকদের সমস্যা, ছাত্রদের সমস্যার কথা বলছেন এবং মানুষকে কোভিড অব্যবস্থাপনার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসছে অক্সিজেনের ঘাটতি, ভাসমান মৃতদেহ এবং অবশ্যই অভিবাসী শ্রমিকদের যন্ত্রণার কথা।

সাধারণ মানুষকে ডিমনিটাইজেশনের ভয়াবহতার কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য, তিনি খাজাঞ্চি নামে একটি পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে প্রচারে সামনে আনছেন। যে একটি ব্যাঙ্কের বাইরে জন্মগ্রহণ করেছিল, যেখানে ডিমনিটাইজেশনের পরে তার মা টাকা বদলানোর জন্য লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।

অখিলেশ যাদবের জনসংযোগ যাত্রায় অপ্রত্যাশিতভাবে বিপুল জনসমাগম দেখা যাচ্ছে এবং সমাজবাদী পার্টির নেতৃত্ব এবং কর্মীরা এই বিপুল সাড়ায় উচ্ছ্বসিত।

দলের মুখপাত্র অনুরাগ ভাদৌরিয়া জানিয়েছেন, "অখিলেশ যাদবের জনসংযোগ যাত্রায় যে হাজার হাজার মানুষ আসছেন, তাঁদের সরকারি বাসে তোলা হয়নি। নেতাকে অভ্যর্থনা জানাতে তাঁরা মধ্যরাত পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকছেন। বিজেপি যদি বালিতে মাথা গুঁজে থাকে সেক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার নেই।"

সমাজবাদী পার্টিতেও যে সমস্যা একেবারেই নেই তা নয়। এক্ষেত্রেও দলে নতুন করে যোগদানকারীদের স্থান দেওয়া এবং তাদের প্রার্থীদের মনোনয়নের ব্যবস্থা করা সমাজবাদী পার্টির ক্ষেত্রেও কিছু সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

দলের এক বিশিষ্ট নেতা জানিয়েছেন, "আমাদের দলের সদস্যরা ২০২২ সালের নির্বাচনের জন্য তাদের নির্বাচনী এলাকায় গত পাঁচ বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। এখন তাদের আসন কোনো মিত্রকে ছাড়া হলে তারা নিঃসন্দেহে হতাশ হবেন। তবে, দলীয় নেতৃত্ব তাদের আশ্বস্ত করছে যে তাদের জন্যেও উপযুক্ত ব্যবস্থা করা হবে। দল ক্ষমতায় এলে তাঁদের দাবি পূরণ করা হবে।”

সমাজবাদী পার্টিতেও যে সমস্যা একেবারেই নেই তা নয়। এক্ষেত্রেও দলে নতুন করে যোগদানকারীদের স্থান দেওয়া এবং তাদের প্রার্থীদের মনোনয়নের ব্যবস্থা করা সমাজবাদী পার্টির ক্ষেত্রেও কিছু সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

এখনও পর্যন্ত আসন্ন নির্বাচনে বহুজন সমাজ পার্টি এবং কংগ্রেস অনেকটাই পিছিয়ে। বিএসপি সভানেত্রী মায়াবতীকে এখনও সেভাবে প্রচারে দেখা যায়নি। তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের প্রচারে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সতীশ চন্দ্র মিশ্র, যিনি একজন ব্রাহ্মণ। রাজনৈতিক মণ্ডলে মায়াবতীর উপস্থিতি আপাতত দিনে একটি টুইটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ব্রাহ্মণদের প্রতি ঝুঁকে পড়ায় বিএসপির মূল ভিত্তি দলিতদের একটা বড়ো অংশই বিরক্ত। এছাড়াও বিএসপি তার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলিত নেতাদের বহিষ্কার করেছে এবং সতীশ মিশ্র ছাড়া দলে এই মুহূর্তে দ্বিতীয় স্তরের কোনো নেতৃত্ব নেই। মায়াবতীর কাছে পৌঁছতে না পারাও এখন বিএসপি কর্মীদের মধ্যে আলোচনার বিষয়।

এছাড়াও হিন্দুত্বের প্রতি তার নতুন ভাবনা তাঁর সমর্থকদের নিরাশ করেছে। সম্প্রতি তিনি এক দলীয় মিটিং-এ 'ত্রিশূল' নিয়ে মঞ্চে উঠেছিলেন। যা বহুজন সমাজ পার্টিতে থাকা মুসলিম সমর্থক এবং নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলছে। বিএসপি সমর্থকরাও মায়াবতীর বর্তমান রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিভ্রান্ত। যেখানে দেখা যাচ্ছে বিজেপির প্রতি তিনি স্পষ্টতই নরম এবং সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের প্রতি আক্রমণাত্মক।

অন্যদিকে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস কল্পরাজ্যে বাস করছে বলেই অভিমত রাজনৈতিক মহলের। এই দল, মূলত বাম দল থেকে আসা নেতাদের নিয়ে, 'লড়কি হুঁ, লড় সকতি হুঁ' স্লোগান, পোস্টার এবং গানে কল্পিত পথে এগিয়ে যাচ্ছে যখন দলটি ধীরে ধীরে বিপর্যস্ত হচ্ছে। প্রিয়াঙ্কার হাতে নেতৃত্ব যাবার পর দলের সিনিয়র নেতারা কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছেন। গত দু’মাসে রেকর্ড সংখ্যক নেতাকে হারিয়েছে কংগ্রেস। যদিও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দলের এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ বলে মনে করা হচ্ছে।

এক বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন, "সমস্যা হল প্রিয়াঙ্কা যখন উত্তরপ্রদেশের কোনো জেলায় যান তখন খুব ভাল সাড়া পান। কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার পরে, সেখানে একজন নেতাও নেই যিনি এই সাফল্য ধরে রাখবেন। ফলে, তাঁকে ঘিরে ভিড় হলেও দলীয় কর্মীরা এই ভিড়কে ভোটে রূপান্তরিত করতে পারবেন না।"

প্রিয়াঙ্কার হাতে নেতৃত্ব যাবার পর দলের সিনিয়র নেতারা কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছেন। গত দু’মাসে রেকর্ড সংখ্যক নেতাকে হারিয়েছে কংগ্রেস।

একদিকে যখন উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি অজয় ​​কুমার লাল্লু দাবি করেছেন যে কংগ্রেস ইউপিতে সরকার গঠন করবে তখন নির্বাচনী বিশ্লেষকরা সন্দেহ করছেন যে দলটি দুই অঙ্কের চিহ্ন অতিক্রম করবে কিনা।

এ সবের মাঝেই যে দল ধীরে ধীরে কিন্তু স্থিরভাবে ইউপির রাজনীতিতে প্রবেশ করছে তা হল আম আদমি পার্টি (আপ)। AAP চাতুর্যের সঙ্গে মধ্যবিত্ত ভোটারদের নিশানা করেছে, যে ভোটব্যাঙ্ক এখন বিজেপির পাশ থেকে সরে গেছে।

AAP মুখপাত্র বৈভব মহেশ্বরী জানিয়েছেন, "আমরা জাত এবং সম্প্রদায়ের কথা বলছি না কারণ তা আমাদের এজেন্ডা নয়। আমরা চাকরি, বিনামূল্যে বিদ্যুৎ এবং সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আমরা কেজরিওয়ালের শাসনের মডেলকে প্রচার করছি এবং মানুষ আমাদের কথা শুনছে।"

AAP যদি উত্তরপ্রদেশে কোনো আসন নাও জিততে পারে তাহলেও বেশ ভালো সংখ্যায় ভোট পাবে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান।

AAP যদি উত্তরপ্রদেশে কোনো আসন নাও জিততে পারে তাহলেও বেশ ভালো সংখ্যায় ভোট পাবে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান।

উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হল যে যদিও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একের পর এক জনসংযোগ যাত্রা করছে, কিন্তু কেউই জনগণের উদ্বেগ, রাস্তা, বিদ্যুৎ, মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মৌলিক বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলছে বলে মনে হয় না।

প্রতিটি রাজনৈতিক দলই দোষারোপের খেলা খেলছে এবং সাধারণ মানুষের কাছে এমন কিছু প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যা সম্ভবত কখনই বাস্তবায়িত হবে না। ক্ষমতার এই দৌড়ে জনগণ ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছেন।

অখিলেশ যাদব ও যোগী আদিত্যনাথ
Uttar Pradesh: ভোটের মুখে দল ছেড়ে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in