২০০৯ সালের প্রস্তাবে অবশেষে অনুমোদন মন্ত্রিসভার, দুই জেলায় প্রাথমিকে ৭,১০৪ শূন্যপদে নিয়োগ
প্রতীকী ছবি

২০০৯ সালের প্রস্তাবে অবশেষে অনুমোদন মন্ত্রিসভার, দুই জেলায় প্রাথমিকে ৭,১০৪ শূন্যপদে নিয়োগ

২০০৯ সালে বামফ্রন্টের আমলে এই নিয়োগের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। কিন্তু এরপর সরকারে পালাবদল হলে এই বিষয়ে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। একাধিকবার আন্দোলনে নেমেছেন চাকরিপ্রার্থীরা, মামলা-মোকদ্দমাও হয়েছে।

দীর্ঘ আন্দোলনের পর রাজ‍্যের দুটি জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্যপদ পূরণের প্রস্তাবে অনুমোদন দিল রাজ‍্য সরকার। পাশাপাশি নতুন পদ তৈরি করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এই দুই জেলায় মোট ৭১০৪ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। সোমবার রাজ‍্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকের পর রাজ‍্যের মুখ‍্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী জানান, উত্তর ২৪ পরগণা এবং মালদহে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করবে সরকার। এর জন্য নতুন করে ৩,১৭৯টি নতুন পদ তৈরি করা হবে এবং ৩,৯২৫টি শূন‍্যপদও পূরণ করা হবে। এই শূন্যপদের জন্য কেবলমাত্র প‍্যানেলভুক্ত প্রার্থীদেরই বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

২০০৯ সালে বামফ্রন্টের আমলে এই নিয়োগের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। কিন্তু এরপর সরকারে পালাবদল হলে এই বিষয়ে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। একাধিকবার আন্দোলনে নেমেছেন চাকরিপ্রার্থীরা, মামলা-মোকদ্দমাও হয়েছে। অবশেষে ১২ বছর পর সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দিল বর্তমান রাজ‍্য সরকার।

এই সিদ্ধান্তে কিছুটা আশ্বস্ত হলেও চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য, শুধু উত্তর ২৪ পরগণা বা মালদহ নয়, গোটা রাজ‍্যেই দ্রুত নিয়োগ করতে হবে। শূন্যপদ পূরণ করতে হবে। জানা গেছে, ২০১৪ সালে টেট পাশ করেছেন এবং ডিএলএড-এর প্রশিক্ষণ রয়েছে, এরকম সংখ্যা প্রায় ৩১ হাজার।

দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করে আসা সিপিআইএম নেতা ইন্দ্রজিত ঘোষ পিপলস রিপোর্টারের প্রতিনিধিকে জানান, বাম সরকারের আমলে যখন এই নিয়োগ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো তখন কয়েকটি জেলায় এই নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছিলো। পরবর্তী সময়ে কিছু জেলায় নিয়োগ হলেও তা নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অবশেষে এক যুগ সময় পার করে এই দুই জেলায় নিয়োগ হল। এতে বহু চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হল।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in