

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্য রাজ্য রাজনীতি শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু মাত্র দু'বছরের মধ্যে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছে বিজেপিকে। তা নিয়ে পর্যালোচনাও শুরু হয়েছে। তাতে যে বিষয়টি উঠে এসেছে, সেটা হল ধর্মীয় মেরুকরণ।
অনেকেই এই ধর্মীয় মেরুকরণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তারা জানিয়েছিলেন, ধর্মীয় মেরুকরণ পশ্চিমবঙ্গে সংস্কৃতির সঙ্গে মিলমিশ খাবে না। উপরন্তু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে অনেক ভোট হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে। শিক্ষিত অসাম্প্রদায়িক বাঙালি হিন্দু ভোটও বিজেপি পায়নি।
গত কয়েক বছরে বাম-কংগ্রেসের অবস্থা ক্রমশ তলানিতে ঠেকেছে। দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে গেরুয়া শিবির। গত বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি বিধানসভায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কিন্তু উপনির্বাচনের ফলাফল অন্য কথা বলছে। বিধানসভা নির্বাচনে একটিও আসন না পাওয়া থেকে শান্তিপুর উপনির্বাচনে ভোট বৃদ্ধি ঘটেছে বামেদের।
দলের একটা অংশ মনে করছে, অযাচিতভাবে হিন্দু-মুসলমান করার জন্য গেরুয়া শিবিরের আজ এই পরিস্থিতি। গো-বলয় ও বাংলা রাজনীতি সম্পূর্ণ আলাদা। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, আমরা বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলছি। আমরা চাই নিজেদের অধিকার নিয়ে সব ধর্মের মানুষ যাতে বাঁচতে পারেন। বাংলায় সংখ্যালঘুদের মনে আতঙ্কের পরিবেশ কাটাতে বিজেপি আগামী দিনে পদক্ষেপ করবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন