

গভীর রাতে দফায় দফায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা। এমনকী, দীর্ঘক্ষণ নিভিয়ে রাখা হচ্ছে আলো। এমনই অভিযোগ উঠল জঙ্গিপুরে। খবর পেয়েই ভোররাতে ঘটনাস্থল জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে ছুটে যান সাগরদিঘি বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস।
তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের পরিকল্পিত ভাবে হারানোর জন্য এটি একটি গভীর চক্রান্ত। ক্যামেরার সামনেই তিনি জানান, সাগিরদীঘি, জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ এবং ফরাক্কাতে তৃণমূল হারছে। চক্রান্তের অভিযোগ তুলে সরব হন তিনি। যদিও প্রশাসনের দাবি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণেই এই সমস্যা।
ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখেন, ক্যামেরার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ আলোও বন্ধ ছিল। এই পরিস্থিতি দেখে কর্তব্যরত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছে কৈফিয়ত তলব করেন তিনি। কিন্তু, সদুত্তর মেলেনি। এরপর ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিধায়ক।
ক্যামেরার সামনে তিনি বলেন, গভীর রাতে বার বার কেন ক্যামেরা বন্ধ হবে? কেনই বা দীর্ঘক্ষণ আলো নিভিয়ে রাখা হয়েছিল? বিষয়টি নিয়ে আধিকারিকদের জানানোর পরেও কেন দ্রুত সমাধান করা হয়নি? আমাদের হারানোর জন্যই এই ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে।
এরপরই তিনি বলেন, "আমি আমার বিধানসভায় হারছি। আমি হারছি, জঙ্গিপুরে জাকির সাহেব হারছেন, সামশেরগঞ্জে নূর আলম হারছেন, ফরাক্কায় আমিরুল হারছেন, রাজ্যের খবর আমি বলতে পারব না। রাজ্যের খবর আমাদের ক্যামাক স্ট্রিট জানেন আর সেন্ট্রাল ফোর্স তো আরও ভালো জানবে।"
তিনি আরও বলেন, "আমি চাই বিজেপি জিতুক, সরকারে আসুক। আমি চাই কংগ্রেস জিতুক, সরকারে আসুক। আমি চাই সিপিআইএম জিতুক, সরকারে আসুক। আমি চাই আইএসএফ জিতুক, সরকারে আসুক। কিন্তু ন্যায্য ভাবে। টিএমসি বা অভিষেক দা চান না জোরজবরদস্তি করে সরকারে থাকতে। এমন আমাদের শেখায় নি।"
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন