West Bengal: পঞ্চায়েতের আগে 'বাম' পথে গ্রাম! এবার মথুরাপুরে তৃণমূল ছেড়ে CPIM-এ ৫৫০ পরিবার

যোগদানকারীরা জানাচ্ছেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল দুর্নীতি ছড়িয়ে দিয়েছে। আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত নই আর দুর্নীতিগ্রস্তদের সাথে থাকতেও চাই না। তাই সবাই সিপিআইএম-এ যোগদান করেছি।
তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ
তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগছবি - সংগৃহীত
Published on: 

দক্ষিণ ২৪ পরগণার মথুরাপুরে ৫৫০ পরিবার তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিল সিপিআইএম-এ। দলীয় নেতৃত্বের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েই বামেদের প্রতি আস্থা রাখছে ওই পরিবারের সদস্যরা।

এখনও পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। তার আগে নিজেদের হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বামেরা। উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রতিদিনই তৃণমূল বিজেপি ছেড়ে সিপিআইএম-এ যোগদান করার খবর সামনে আসছে। সকলেরই অভিযোগ তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সিপিআইএম-এ যোগদান করছেন। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনেও বামেদের জেতাতে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরেও কোনো ব্যাতিক্রমী ছবি ধরা পড়েনি। তৃণমূল ছেড়ে ৫৫০ পরিবার যোগ দিল সিপিআইএম-এ। যোগদানকারীরা জানাচ্ছেন, তৃণমূলের দুর্নীতির সাথে আমরা থাকবো না। গোটা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল দুর্নীতি ছড়িয়ে দিয়েছে। আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত নই আর দুর্নীতিগ্রস্তদের সাথে থাকতেও চাই না। তাই সবাই সিপিআইএম-এ যোগদান করেছি।

শুধু মথুরাপুরেই নয় গত কয়েকদিনে বীরভূমের লোহাপুর, সুপুরের চাঁদপাড়া ও বানপাড়া, নতুন গ্রাম মিলিয়ে মোট ৩০০ জন সিপিআইএম-এ যোগদান করেছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে ৭৫টি পরিবার, মুর্শিদাবাদের ফারাক্কাতেও বহু মানুষ তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগদান করেন। স্থানীয় বাম নেতৃত্বের দাবি, যতদিন যাবে আরও মানুষ তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমের পতাকা হাতে তুলে নেবে। মানুষ বুঝতে পারছে আসল বিরোধী কে।

সম্প্রতি, ডুয়ার্সের গয়েরকাটার সাঁকোয়াঝোরা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঙ্কুবাজারে তৃণমূল-বিজেপি ছেড়ে ৩০০-র বেশী কর্মী সমর্থক এবং আলিপুরদুয়ারে ডিমা চা বাগান আউট ডিভিশনের গাঙ্গুটিয়াতে তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএম-এ যোগদান করেন ২০০-র বেশি কর্মী সমর্থক।

তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ
অভিষেকের কর্মসূচির আগেই উত্তরবঙ্গ তৃণমূলে ভাঙন, CPIM-এ যোগ ৫০০-র বেশি শাসকদলের কর্মীর
তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ
‘এটা তোমার গানের জগৎ নয়’ - মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে বাবুল সুপ্রিয় সহ মন্ত্রিসভার চার মন্ত্রী!

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in