সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য
সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য ফাইল চিত্র

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে ৪ আগস্ট থেকে পথে SFI

সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য।
Published on

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবিলম্বে আংশিক ভাবে হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে হবে। এমনই দাবি এসএফআইয়ের। পাশাপাশি সব পড়ুয়াকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে টিকা দিতে হবে, একাদশ শ্রেণি ও কলেজে প্রথম বর্ষের আসন সংখ্যা বাড়াতে হবে, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে ভর্তির ফি মকুব করতে হবে, শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়িয়ে স্পেশাল স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে-এই দাবিগুলিকে সামনে রেখে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে এসএফআই। সোমবার কলকাতার দীনেশ মজুমদার ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। পাশাপাশি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে পরপর তিনবার বহিষ্কার করার তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি।

সৃজন ভট্টাচার্য জানান, ৪ আগস্ট কলেজ স্ট্রিটে নাগরিক কনভেনশনের আয়োজন করা হবে। ৫ আগস্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ, মিছিল ও পথসভা করা হবে। ৬ থেকে ১০ আগস্ট প্রতিটি ব্লকে ডিজিটাল বিভাজনের জেরে যে পড়ুয়ারা শিক্ষার আওতার বাইরে চলে গিয়েছে, তাদের সই নিয়ে তালিকা সংগ্রহ করা হবে, ১১ আগস্ট সব ব্লকে স্কুল-কলেজ করার দাবিতে প্রশাসনকে ডেপুটেশন দেওয়া হবে, ১২ আগস্ট রাজ্যের অন্তত এক হাজার জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে এসএফআইয়ের কর্মীদের উদ্যোগে প্রতীকী ক্লাসরুম খোলা হবে। এই উদ্যোগে শিক্ষাকর্মী, শিক্ষক-অভিভাবকরাও সঙ্গে থাকতে চাইছেন। তাঁদের নিয়ে হবে আন্দোলন।

তাঁর অভিযোগ, স্কুল-কলেজ না খোলার ফলে বহু পড়ুয়া ড্রপ আউট হয়ে যাচ্ছে। মাধ্যমিকের তথ্য বলছে, ২ লক্ষ পড়ুয়া হারিয়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে গরিব ও অনগ্রসর অংশের পড়ুয়াদের মধ্যে ডিজিটাল বিভাজন হয়ে গেছে। ফলে বাল্যবিবাহ, ভিনরাজ্যে চলে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিক ও শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে। সরকার পড়ুয়াদের বাধ্য করেছে বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকতে।

অন্যদিকে, বিশ্বভারতীর তিন পড়ুয়ার সাসপেনশন নিয়ে তিনি বলেন, এই অন্যায় সাসপেনশন তুলে নেওয়া নাহলে আগামী দিনে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করার পথে হাঁটবে এসএফআই।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in