

কলকাতা হাইকোর্টের পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। রামপুরহাটের বগটুই গণহত্যাকাণ্ডে ফের স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা রুজু হল। এই অগ্নিকাণ্ডের মাধ্যমে গণহত্যার ঘটনায় আগেই কলকাতা হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল। তারপরেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
বগটুইয়ে নৃশংসভাবে প্রথমে নিহতদের কোপানো হয়েছে। তারপর পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এমনই অভিযোগ নিহতদের আত্মীয়দের। এই নৃশংসতার হাত থেকে বাদ যায়নি শিশুরাও। এখনও আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার এলাকায় গিয়ে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরই নির্দেশে রামপুরহাটের ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে তারাপীঠ থেকে গ্রেফতার করা হয়।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণ মিশ্র জানান, শীঘ্রই এলাকা পরিদর্শন করতে যাবেন মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। এলাকা ঘুরে দেখবেন। স্থানীয় ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গেও কথা বলবেন প্রতিনিধিরা।
এই গণহত্যার পরেই তৎপর হয়ে উঠেছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন, জাতীয় মহিলা কমিশনও। জেলা পুলিশের কাছে রিপোর্ট চেযয়েছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, মামলাটি বিচারাধীন। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষতিপূরণ দিতে পারেন না। তাদের প্রভাবিত করা হচ্ছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন