Purulia: একাধিক সূচ বিঁধিয়ে শিশুকন্যাকে খুন, মা ও প্রেমিকের ফাঁসির আদেশ আদালতের

চিকিৎসকরা শিশুটির চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখেন তার শরীরে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এক্স-রে করলে জানা যায় সাতটি সূচ বিঁধে রয়েছে শিশুটির শরীরে। এর কিছুদিন পরে কলকাতার SSKM হাসপাতালে মৃত্যু হয় শিশুটির।
Purulia: একাধিক সূচ বিঁধিয়ে শিশুকন্যাকে খুন, মা ও প্রেমিকের ফাঁসির আদেশ আদালতের
মঙ্গলা গোস্বামীকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশছবি সংগৃহীত

পুরুলিয়া সূঁচ কান্ডে মা এবং মায়ের প্রেমিককে ফাঁসির সাজা শোনালো আদালত। মঙ্গলবার পুরুলিয়া আদালত এই রায় ঘোষণা করে। চার বছর আগে সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকন‍্যাকে সূচ ফুটিয়ে হত‍্যা করার ঘটনায়ও এই শাস্তি শুনিয়েছে আদালত।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে পুরুলিয়ার মফস্বল থানার নদিয়াড়া গ্রামে নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছিল। ওই বছরের ১১ জুলাই সাড়ে তিন বছরের ওই শিশুকন‍্যাকে নিয়ে পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করছিলেন মা মঙ্গলা গোস্বামী। জ্বর-সর্দি-কাশি হয়েছিল শিশুটির। চিকিৎসকরা শিশুটির চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখেন তার শরীরে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন, আঁচড়ের দাগ রয়েছে। এক্স-রে করলে জানা যায় সাতটি সূচ বিঁধে রয়েছে শিশুটির শরীরে। এর কিছুদিন পরে কলকাতার SSKM হাসপাতালে মৃত্যু হয় শিশুটির।

ঘটনার কথা জানাজানি হতেই থানায় মামলা দায়ের হয়। সূচ বিঁধে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হয় মঙ্গলা গোস্বামীর কাছ থেকে। প্রাথমিকভাবে তিনি দাবি করেন, প্রাক্তন হোমগার্ড সনাতন গোস্বামী ঠাকুরের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন মঙ্গলা। সনাতন তাঁর মেয়ের ওপর অত‍্যাচার করেছে। পরে জানা যায় সনাতনের সাথে মঙ্গলার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর মেয়ে। তাই তাকে সরাতে সূচ ফুটিয়ে হত‍্যা করা হয়েছে।

এই ঘটনায় পুরুলিয়া জেলার দায়রা আদালতে চার বছর ধরে এই ঘটনার বিচার চলে। শনিবার অভিযুক্ত দু'জনকেই খুন ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। মঙ্গলবার দু'জনকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মৃত্যুদন্ডের নির্দেশ শোনার পর আদালত চত্বরেই নিজেকে বারবার নির্দোষ দাবি করেছেন মঙ্গলা গোস্বামী। যদিও একেবারে নির্লিপ্ত ছিলেন সনাতন গোস্বামী।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in