

ভোটের আগেই নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছিল, কোনওরকম গোলমাল হলেই সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে হবে পুনর্নির্বাচন। কিন্তু শুক্রবার স্ক্রুটিনির পর কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে প্রথম দফায় যত বুথে নির্বাচন হয়েছে, তার একটিতেও পুনর্নির্বাচন করার প্রয়োজন নেই। বৃহস্পতিবার রাজ্যের ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে।
ভোট প্রক্রিয়ায় বড়সড় কোনও গণ্ডগোল হলে পুনর্নির্বাচন করা হয় সাধারণত। রাজ্যে অতীতের নানা নির্বাচনে এরকম ঘটনা ঘটার ইতিহাস রয়েছে। তাই এবার কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোটদানে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে পুনর্নির্বাচন হবে। কিন্তু প্রথম দফার ভোটে সেরকম বড় কোনও অভিযোগ পায়নি কমিশন। প্রিসাইডিং অফিসার সেরকম কোনও রিপোর্ট দেননি। কমিশনের কন্ট্রোল রুমের নজরদারিতেও সেরকম কিছু ধরা পড়েনি। তাই কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে কমিশন।
মুর্শিদাবাদ এবং মালদহের কয়েকটি কেন্দ্রে বিরোধী দলের ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় কিছুক্ষণের মধ্যে সেই সমস্যার সমাধান হয়।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৮৮ শতাংশ। ভোটদানের হার সবচেয়ে বেশি কোচবিহারে— ৯৬.০৪ শতাংশ। এ ছাড়া দক্ষিণ দিনাজপুরে ৯৫.৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। ৯৪ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে জলপাইগুড়ি, মালদহ, বীরভূম এবং উত্তর দিনাজপুরে।
তামিলনাড়ুর কোনও বুথেও পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। সেখানে বৃহস্পতিবার ৭৫,০৬৪ বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন