সরকারি হাসপাতালে অবাধ যাতায়াত মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভদের, খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত সাংবাদিক

সরকারী হাসপাতালে মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভদের প্রবেশ সব সময়ের জন্য নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের স্কিন বিভাগের আউটডোরে অবাধ যাতায়াত মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভদের।
সরকারি হাসপাতালে অবাধ যাতায়াত মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভদের, খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত সাংবাদিক
নিজস্ব চিত্র
Published on

ফের আক্রান্ত সাংবাদিক। যখন হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ, ঠিক তখনই হাসপাতাল আউটডোরে অবাধ যাতায়াত মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভদের। এই নিয়ে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হলেন সংবাদ মাধ্যমের এক কর্মী। ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।

সরকারী হাসপাতালে মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভদের প্রবেশ সব সময়ের জন্য নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের স্কিন বিভাগের আউটডোরে চিকিৎসক যখন রোগী দেখছিলেন ঠিক সেই সময় দু'জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভ ঢুকে পড়েন চিকিৎসকে ঘরে। আর রোগীর লম্বা লাইন ফেলে দিয়ে রিপ্রেজেনটেটিভদের সাথে গল্পে মত্ত হয়ে যান চিকিৎসক। সেই ছবি তুলতে গেলে সিকিউরিটি গার্ডকে লেলিয়ে দেন চিকিৎসক বলে অভিযোগ।

এরপর সিকিউরিটি গার্ড সাংবাদিককে মেরে তাঁর ডান হাত ফাটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জরুরি বিভাগে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা হয়। ঘটনায় সিকিউরিটি গার্ডের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য দফতরের কাছে অভিযোগ জানান জলপাইগুড়ি জেলার সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা।

তবে এদিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্কিন স্পেশালিষ্ট ডাক্তার শুভম চ্যাটার্জী। তিনি বলেন তাঁর কাছে রিপ্রেজেনটেটিভ এসেছিলেন। তিনি তাঁদের চলে যেতে বলেন। আর রোগীদের লম্বা লাইন তাঁর ডিপার্টমেন্টের নয় বলে জানান তিনি। ঘটনায় হাসপাতাল সুপার ডাক্তার গয়ারাম নস্কর জানিয়েছেন ওই সিকিউরিটি গার্ডকে আপাতত শোকজ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in