CPIM: রাজ্যে শিল্প ধ্বংস করেছে মমতাই - বামফ্রন্ট আমলের তথ্য তুলে ধরে তৃণমূলকে আক্রমণ সেলিমের

সেলিম এনএসএস-র তথ্য দিয়ে বলেন, ২০০৪-২০১১ সাল পর্যন্ত দেশের মধ্যে উৎপাদনমূলক শিল্পে কর্মসংস্থানের ৪০%-র পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে। তখন রাজ্যে ২৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ কাজ পেয়েছিলেন।
মমতা ব্যানার্জী ও মহম্মদ সেলিম
মমতা ব্যানার্জী ও মহম্মদ সেলিমগ্রাফিক্স - আকাশ নেয়ে

বামফ্রন্ট আমলে পশ্চিমবঙ্গ নতুন শিল্প স্থাপনে দেশের মধ্যে প্রথম ছিল। রাজ্যের শিল্পকে শেষ করে দিয়েছে মমতা ব্যানার্জী। সোমবার ঠিক এমন মন্তব্যই করলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম

রাজ্যের শিল্প আনতে একাধিকবার বাণিজ্যিক সম্মেলন করেছেন মমতা। রাজ্যের শিল্প নিয়ে বার বার বিরোধীদের আক্রমণও করেছেন তিনি। তাঁর মুখে বলতে শোনা যায় পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বামফ্রন্ট সরকার ধ্বংস করেছে। এবার একাধিক তথ্য তুলে ধরে রাজ্যের শিল্প নিয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন সেলিম। তিনি বলেন, বামফ্রন্ট সরকারের শেষ ছ’টা বছর পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে শিল্পে শীর্ষস্থানে ছিল। গুজরাট, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলিও বাংলার পরে ছিল।

সেলিম এনএসএস-র তথ্য দিয়ে বলেন, ২০০৪-২০১১ সাল পর্যন্ত দেশের মধ্যে উৎপাদনমূলক শিল্পে কর্মসংস্থানের ৪০%-র পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে। তখন রাজ্যে ২৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ কাজ পেয়েছিলেন। সিঙ্গুরে প্রায় তৈরি হয়ে যাওয়া টাটা কারখানা হয়নি মমতার জন্যই।

তিনি এও বলেন, বামফ্রন্ট আমলে কৃষিতেও রাজ্য প্রথম ছিল। আর মমতার আমলে কৃষক আত্মহত্যা বেড়েছে। কৃষকরা ঠিক করে ফসলের দাম পাচ্ছেন না। এর দায় সরকারের। ২০১১ সালের পরে রাজ্যে বড় মাপের শিল্পে কোনও বিনিয়োগ হয়নি। তার পরিবর্তে বহু কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এখন সেইসমস্ত জায়গায় সিন্ডিকেট চালাচ্চছে তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা।

উল্লেখ্য, সোমবার নেতাজী ইন্ডোরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের বাইরে যাওয়ার দরকার নেই। চাকরি আপনার ঘরের সামনে আপনাকে ডাকবে। আপনাকে শুধু খোঁজ রাখতে হবে। MSME-তে ৯০ লক্ষ ক্ষুদ্র শিল্পের ইউনিট করেছি। মমতার এই বক্তব্যকেও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন সেলিম। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী রোজ মিথ্যা কথা বলছেন। শিক্ষিত বেকার যুবকরা রাস্তার ধারে বসে দীর্ঘদিন আন্দোলন করছে। তাদের চাকরি টাকার বিনিময়ে তৃণমূল অযোগ্যদের দিয়েছে।

মমতা ব্যানার্জী ও মহম্মদ সেলিম
চোরেদের সরকারে সবাই চোর - মহাসচিব, প্রেসিডেন্ট ওগুলো ডাক নাম: পার্থর গ্রেফতারিতে কটাক্ষ সেলিমের

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in