Gaighata: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে মধুচক্রের আসর, আপত্তিকর অবস্থায় গ্রেপ্তার ৩
ছবি - সংগৃহীত

Gaighata: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে মধুচক্রের আসর, আপত্তিকর অবস্থায় গ্রেপ্তার ৩

পুলিস ও স্থানীয় সূত্রের খবর, গাইঘাটায় বিজেপি’র চাঁদপাড়া পশ্চিম মণ্ডলের সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ। রামপুর বাজার এলাকায় তাঁর একটি বাড়ি কয়েক মাস আগে এক পরিচিতকে ভাড়া দেন।
Published on

ভাড়াবাড়িতে বসত মধুচক্রের আসর। গাইঘাটা থানার পুলিশ রবিবার রাতে বিজেপির মণ্ডল সভাপতির ভাড়াবাড়িতে অভিযান চালিয়ে আসর চলাকালীন হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে এক যুবতী-সহ তিনজনকে। ধৃত যুবকদের নাম শুভময় মণ্ডল ও দেবাশিস টিকাদার। শুভময়ের বাড়ি হালিশহরের গোলাবাড়ি রোডের সুভাষপল্লিতে আর দেবাশিস থাকে চাঁদপাড়া বাজার এলাকায়। যুবতী অবশ্য স্থানীয় বাসিন্দা নয়। সোমবার ধৃতদের বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে আটদিন জেল হেফাজত হয় তাদের।

পুলিস ও স্থানীয় সূত্রের খবর, গাইঘাটায় বিজেপি’র চাঁদপাড়া পশ্চিম মণ্ডলের সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ। রামপুর বাজার এলাকায় তাঁর একটি বাড়ি কয়েক মাস আগে এক পরিচিতকে ভাড়া দেন। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, ওই বাড়িতে পুরুষ ও মহিলাদের আনাগোনা লেগেই থাকত। তবে খুব বেশি সময়ের জন্য কেউই থাকে না। আগন্তুকরা কেউ আসে বাইকে, কেউ আসে চারচাকার গাড়িতে। নতুন নতুন মুখের আনাগোনা বাড়তেই সন্দেহ হয় স্থানীয়দের।

জানা গিয়েছে, ওই বাড়িতে মধুচক্রের আসরে ঘণ্টাপিছু ঘর ভাড়া দেওয়া হয়। রবিবার সন্ধ্যায় তিনজন বহিরাগতকে ঢুকতে দেখে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে গাইঘাটা থানার পুলিশ এসে আপত্তিকর অবস্থায় তিনজনকে পাকড়াও করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই এই বাড়িতে মধুচক্র চালানো হচ্ছে।

বাড়ির মালিক তথা বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ। তিনি অবশ্য বেপাত্তা। যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্বজিৎ ঘোষ ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, রাজনৈতিক কারণে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।

তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি আলোরানি সরকার বলেন, এই ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার নিন্দার ভাষা পাচ্ছি না। বিজেপির অনেক বড় নেতাই মাদক পাচার, নারী চোরাচালান, সোনা পাচার, মধুচক্রের মতো অসামাজিক কাজে যুক্ত।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in