'হেরে গিয়ে নাটকবাজি করছে বিজেপি' - বাজেট অধিবেশনের শুরুতে বিজেপির বিক্ষোভে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী

ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যপালের ভাষণ আগে কখনও এমন হয়নি। আমরা বারবার শান্ত হতে বলেছি। ওরা শোনেনি। যা ঘটেছে তা নজিরবিহীন ও গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জা।
'হেরে গিয়ে নাটকবাজি করছে বিজেপি' - বাজেট অধিবেশনের শুরুতে বিজেপির বিক্ষোভে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী
ফাইল চিত্র
Published on

বিজেপির বিক্ষোভের জেরে বিধানসভায় তুলকালাম । সোমবার বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি।সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তেই পারলেন না রাজ্যপাল । ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যপালের ভাষণ আগে কখনও এমন হয়নি। আমরা বারবার শান্ত হতে বলেছি। ওরা শোনেনি। যা ঘটেছে তা নজিরবিহীন ও গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জা। ভাষণের শুধুমাত্র প্রথম ও শেষ লাইন পড়তে পেরেছেন রাজ্যপাল। এমন ঘটনা বেনজির।”

তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “হেরে গিয়েই এমন নাটকবাজি করছে বিজেপি।” প্রসঙ্গত, বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা সর্বদল বৈঠকও বয়কট করে বিজেপি (WB BJP)। বাজেট অধিবেশনের শুরুতে রাজ্যপালের ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু বিজেপির বিক্ষোভে পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যায়। রাজ্যপাল নিজেও বিজেপি বিধায়কদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। রাজ্যপালের অনুরোধ কর্ণপাত করেননি বিজেপি বিধায়করা। পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে গেরুয়া শিবির।

বিধানসভা চত্বর কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিনত হয় আজ। “মানুষ খুনের সরকার আর নেই দরকার” প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা । পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করে দেয় তৃণমূলও। দুই পক্ষকে শান্ত হওয়ার জন্য স্পিকার মাইক নিয়ে অনুরোধ জানান, রাজ্যপালও বার বার অনুরোধ করেন। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্বের অনড় মনোভাবে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। রাজ্যপাল এই পরিস্থিতি দেখে বিধানসভা থেকে যেতে চান। অবশেষে বিজেপির বিক্ষোভের মধ্যেই রাজ্যপাল কোনোক্রমে ভাষণ দেন।

'হেরে গিয়ে নাটকবাজি করছে বিজেপি' - বাজেট অধিবেশনের শুরুতে বিজেপির বিক্ষোভে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী
WB BJP: 'সন্ত্রাস কতটা হচ্ছে, সেটা ময়দানে থাকলেই বোঝা যায়' - নাম না করে লকেটকে কটাক্ষ দিলীপের!

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in