

‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’ উদযাপন অনুষ্ঠানে সকল সরকারি কর্মীকে বাধ্যতামূলক ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। সোমবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সরকারের অধীনে কর্মরত সমস্ত অস্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক, দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীদেরও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
আগামী ২১ জুন ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’। ওই দিন কলকাতার রেড রোডে সরকার আয়োজিত যোগ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের স্বাক্ষরিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য যোগের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ২১ জুন দেশব্যাপী ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হবে। এই উপলক্ষ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাজ্য সরকার, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা (পিএসইউ), স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং স্থানীয় সংস্থাগুলির সকল কর্তা ও কর্মীদের, যার মধ্যে স্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক, পার্ট-টাইম, দৈনিক মজুরি-ভিত্তিক, অস্থায়ী কর্মী, আউটসোর্সড কর্মী এবং সাম্মানিক ভিত্তিতে নিযুক্ত কর্মী সকলেই রয়েছেন, ২১ জুন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তাঁদের নিজ নিজ কার্যালয়, বাসস্থান, রেড রোড অথবা মিলন মেলা প্রাঙ্গণে (মনোনীত হলে) উপস্থিত থেকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই দিনটি পালন করতে হবে।“
নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জেলাশাসক, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান বা কমিশনারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই নির্দেশ যেন কোনওভাবেই অমান্য না হয়।
আজ কলকাতা পুরসভার একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, আগামী ২০ জুন প্রধানমন্ত্রী আসছেন। ২১ জুন যোগা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এবার কলকাতায় মেগা ইভেন্ট হবে। আগের সব রেকর্ড ভাঙবে আগামী ২১ তারিখ। গোটা রাজ্যে যোগা পুজো হবে।“
উল্লেখ্য, রেড রোডের এই কর্মসূচির জন্য গতকাল (রবিবার) রাত ১০টা থেকে আগামী রবিবার (২১ জুন) পর্যন্ত রেড রোডে সমস্ত ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
২০১৪ সালে ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়। প্রতি বছর এই দিনে যোগাভ্যাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়াতে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি নিজেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে যোগাভ্যাস করেন। এবছর কলকাতায় থাকবেন তিনি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন