তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বৈশালী ডালমিয়া
বৈশালী ডালমিয়াবৈশালী ডালমিয়ার ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত

তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বৈশালী ডালমিয়া

কানাঘুষো চলছিলো লক্ষ্মীরতন শুক্লা, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথ ধরে তিনিও তৃণমূল ত্যাগ করতে পারেন। তবে পদত্যাগ করার আগেই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সরাসরি তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হলেন বালী কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যেয় শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিনই ডোমজুড় কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্য মন্ত্রীসভার সদস্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফার পর বৈশালী ডালমিয়া তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছিলেন – এইরকম একজন দায়িত্ববান মন্ত্রীর দল ছাড়া চিন্তার ও দুঃখের বিষয়ে। এটা সত্যি, যে দলে কাজ করতে অসুবিধে হচ্ছে। একই সঙ্গে এদিন তিনি নাম না করে মন্ত্রী অরূপ রায়কেও আক্রমণ করেন।

তৃণমূল শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি সূত্রে জানা গেছে - সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার দলবিরোধী মন্তব্য করেছেন বৈশালী ডালমিয়া। এদিনও মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর তাঁর মন্তব্যকে দলবিরোধী মনে করছে তৃণমূল শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। তাঁদের মতে, দলের প্রতি ক্ষোভ থাকতেই পারে। কিন্তু তা বলার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা না থাকে। তা না করে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা দলবিরোধী কাজ

মূলত দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলা, দলের ভাবমূর্তির ক্ষতি করা এবং বিরোধী দলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলার জন্যেই বৈশালী ডালমিয়ার বহিষ্কার। এর আগে লক্ষ্মীরতন শুক্লার পদত্যাগের পরও দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন।

এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, বৈশালী ডালমিয়ার মন্তব্য দলের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে। দল দলের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী কয়েক দিনে কী কী ঘটবে তা সবাই জানে। বৈশালী ডালমিয়া কোনো গণ আন্দোলন থেকে উঠে আসেননি। তিনি কোনো পুরোনো দিনের তৃণমূল কর্মী নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সুযোগ দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষমতা থাকলে তিনি বিজেপির টিকিটে বালী থেকে লড়ে দেখান।

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in