সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার ‘পুরস্কার’! TMC সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে নিরাপত্তা কেন্দ্রের

People's Reporter: সম্প্রতি লোকসভার সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদ থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে সেই জায়গায় শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়োগ করেছেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার
তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারফাইল ছবি
Published on

সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার পরই তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিল অমিত শাহের মন্ত্রক। তাঁকে ‘ওয়াই’ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজ্যে পালাবদলের পর একদিকে যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্বের নিরাপত্তা কাটছাঁট করা হচ্ছে, তখন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তাঁকে কেন্দ্রের তরফ থেকে ‘পুরষ্কার’ দেওয়া হল বলে মনে করছেন অনেকে।

সম্প্রতি লোকসভার সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদ থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে দিয়েছেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জায়গায় নিয়োগ করা হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের বিরুদ্ধে সরব হন কাকলী। তিনি লেখেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।“ উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে ছাত্র রাজনীতি করার সময় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে পরিচয় কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। নিজের পোস্টে সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন তিনি।

লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই ছিলেন। গত অগস্টে দলের মধ্যে কোণঠাসা হওয়ার কারণে তিনি এই পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেই সময় লোকসভায় তৃণমূলের উপদলনেতা পদে থাকা কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মুখ্যসচেতক পদে নিয়োগ করেন মমতা ব্যানার্জি। শতাব্দী রায়কে আনা হয় উপদলনেতা পদে। এখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যসচেতক পদে ফেরানো হলেও, কাকলিকে আগের পদে ফেরানো হয়নি। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খোলেন তিনি।

এর কয়েকদিন পরেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন তিনি। সূত্রের খবর, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর মূল্যায়নের রিপোর্টের ভিত্তিতে তাঁকে ‘ওয়াই’ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ১৯ মে থেকেই এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা কার্যকর হয়েছে।    

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in