

আইনজীবীর পোশাকে কলকাতা হাই কোর্টে হাজির সদ্য প্রাক্তন হওয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতির এজলাসে হওয়া ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার শুনানিতে সওয়াল করতে পারেন তিনি।
শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে তথা ২০২৬ সালে উত্তরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। আবেদনকারীর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ২,০০০ তৃণমূল সমর্থক শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। অন্তত ৩৬৫টি তৃণমূল কার্যালয় ভাঙচুর বা ভস্মীভূত করা হয়েছে। এছাড়া, বহু কর্মী-সমর্থক প্রাণের ভয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন।
প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মালার শুনানি হবে। সেই মামলায় সওয়াল করতেই আদালতে পৌঁছেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে আইনজীবীর পোশাকে আদালত চত্বরে দেখা গিয়েছে।
ছাব্বিশের ভোটে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। দু’শোর বেশি আসন নিয়ে রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এই হারের পর সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে ‘মুক্ত বিহঙ্গ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমার কোনও চেয়ার নেই, আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমার কোনও অসুবিধা হচ্ছে না তাতে। এবার আমি রাস্তায় নামব। আইনজীবী হিসাবে কাজ করব।” সেই মোতাবেক এবার তাঁকে দেখা গেল কলকাতা হাই কোর্টে। এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধ প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছিলেন মমতা। সেইসময় তিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এবার নির্বাচনের পর তাঁকে দেখা গেল আইনজীবীর পোশাকে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন