

“মানুষের ভোটে জিতে আসা প্রতিটি সরকারের উচিৎ বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নে সহায়তা করা। এটা দান খয়রাতির বিষয় নয়, এটা মানুষের অধিকার এবং সেটা সুনিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব”। রবিবার কালীঘাটে ডিওয়াইএফআই–এর উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে গিয়ে একথা জানালেন সিপিআইএম পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম।
তিনি আরও বলেন - “তৃণমূল যেভাবে দামামা বাজিয়ে বিজ্ঞাপন করে প্রচার করছে, তাতে মনে হচ্ছে যেন ওঁরা মানুষকে কৃপা-করুণা করছে। মানুষকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে অমর্যাদা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নিজেদের লুটপাট দুর্নীতির ব্যবস্থা করা হচ্ছে”। করোনা ভ্যাকসিন নিয়েও তোপ দেগেছেন তিনি। তিনি বলেন – “কেন্দ্রীয় সরকার বলছে আমরা টিকা দিচ্ছি, রাজ্য সরকার বলছে আমরা টিকা দিচ্ছি। বিজ্ঞাপনী প্রচার দুতরফেই কম হচ্ছে না, কিন্তু বাস্তবে সাধারণ মানুষ টিকা পাচ্ছেন কই”?
সম্প্রতি রাজ্য সরকার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প ঘোষণা করেছে। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন বক্তব্য উঠে এসেছে। কেউ কেউ বলছেন প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আবার কেউ কেউ বলছেন ছাত্রদের ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে ফেলবে এই প্রকল্প। কারণ – পশ্চিমী দেশগুলোতে এইধরণের প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে। সিপিআই(এম) এর ছাত্র সংগঠন এসএফআই আগেই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করেছে।
স্টুডেণ্ট ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে সেলিম বলেন- “ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের নামে ছাত্র ছাত্রীদের মনে উচ্চাকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে আবার তাঁদের হতাশার অন্ধকারে ডুবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বিরাট সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনে তার প্রতিকূল প্রভাব পড়বে। এই প্রকল্প ঘোষণার সময় কেন প্রকল্পের সঠিক রূপরেখা ও সুবিধা প্রাপক কারা হবেন তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি? অনেক আশা ভরসা নিয়ে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে আবেদন করে হতাশ হচ্ছেন বেশিরভাগই”।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন