R G Kar Case: সময় দিতে পারবে না! আর জি কর মামলাগুলি থেকে সরে দাঁড়াল বিচারপতি বসাকের বেঞ্চ

People's Reporter: বিচারপতি বসাক বলেন, যে সময় এই মামলা এই বেঞ্চে এসেছিল, সেই সময় এই ধরনের বিষয়ই এই বেঞ্চের বিচার্য বিষয় ছিল। বর্তমানে এই বেঞ্চের শুনানির বিষয় পাল্টে গেছে।
 আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে চিকিৎসকরা
আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে চিকিৎসকরাফাইল ছবি
Published on

আর জি করের পড়ুয়া-চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে নির্যাতিতার পরিবারের দায়ের করা মামলা ছেড়ে দিল বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবার মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে বিচারপতি বসাক বলেন, “যে সময় এই মামলা এই বেঞ্চে এসেছিল, সেই সময় এই ধরনের বিষয়ই এই বেঞ্চের বিচার্য বিষয় ছিল। বর্তমানে এই বেঞ্চের শুনানির বিষয় পাল্টে গেছে। আগের মতো নিয়মিত ফৌজদারি মামলার আবেদনের শুনানি হয় না এখানে। তাই আর জি কর সংক্রান্ত মামলাগুলি শুনানির জন্য সময় দিতে পারবে না বেঞ্চ।“

নিয়ম মতো, মামলাটি আবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কাছে ফিরে যাবে। হাইকোর্টের অন্য কোনও ডিভিশন বেঞ্চকে এই মামলাগুলির শুনানির দায়িত্ব দেবেন তিনি। কোন বেঞ্চে মামলাগুলি উঠবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে মামলাগুলির ভবিষ্যৎ কার্যত অনিশ্চিত। উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিদের বিচার্য বিষয় নির্দিষ্ট সময় অন্তরই পরিবর্তিত হয়।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর সংক্রান্ত মামলার শুনানি না হওয়ায় প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। মামলাগুলির দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। এদিন ডিভিশন বেঞ্চ মামলাগুলি ছেড়ে দেওয়ার পর নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এবং শীর্ষেন্দু সিংহরায় বলেন, “আইনজীবীরা উপস্থিত থাকলেও গত চার মাসে এই মামলার শুনানি হয়নি। নিম্ন আদালতেও শুনানি হয়নি। তাই ন্যায্য বিচার চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা।“

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আর জি কর হাসপাতালের মধ্যেই পড়ুয়া-চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। গোটা দেশ তোলপাড় হয়ে ওঠে এই ঘটনায়। মূল অভিযুক্ত হিসেবে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। শিয়ালদহ আদালতে সিবিআই-এর জমা দেওয়া চার্জশিটেও একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে সঞ্জয়ের নাম ছিল। নিম্ন আদালত সঞ্জয়কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। সিবিআই-এর এই তদন্তে সন্তুষ্ট হয়নি নির্যাতিতার পরিবার। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in