

চিটফান্ড মামলায় আবারও মদন মিত্রকে তলব করল সিবিআই। আইকোর চিটফান্ড মামলায় তাঁর বড় ছেলে স্বরূপ মিত্রকেও তলব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সিবিআই সূত্রে খবর, মদন মিত্রকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। সাথে সাথে তাঁর বড় ছেলে স্বরূপ মিত্রকে মঙ্গলবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও মদন জানিয়েছেন তাঁর কাছে এখনও সিবিআই এর তরফ থেকে কোনো নোটিস এসে পৌঁছায়নি। নোটিস পেলে তিনি তদন্তের স্বার্থে সবরকম সহযোগিতা করবেন বলেও জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও আইকোর চিটফান্ড দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিলো সিবিআই। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি একজন সিনিয়র সিটিজেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত আছেন। তাই তাঁর পক্ষে এই সময় সিজিও কমপ্লেক্স যাওয়া সম্ভব নয়। তারপরেই সিবিআই আধিকারিকরা তাঁর অফিসে হাজির হয়েছিলেন। প্রায় দু'ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্র অনুসারে, তদন্তকারী অফিসাররা একটি ভিডিও ক্লিপ পেয়েছেন, যেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে আইকোর প্রধান অনুকূল মাইতির সঙ্গে কোনো এক অনুষ্ঠানে একই স্টেজে দেখা গেছে। যেখানে তিনি আইকোরের পক্ষে কথা বক্তব্য রাখছেন।
অন্যদিকে রাজ্যের জলসম্পদ ও উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়াকেও তলব করেছিল সিবিআই। যদিও সবং-এর বিধায়ক সিবিআইকে জানিয়েছিলেন, জমা জলের কারণে এলাকা পরিদর্শনে যেতে হবে তাঁকে। তাই সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে পারবেন না তিনি। এরপর মানস ভুঁইয়ার দপ্তরে হাজির হন সিবিআই আধিকারিকরা, দু'ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। সূত্র অনুসারে, আইকোরের একাধিক অনুষ্ঠানে মানস ভুঁইয়াকে দেখা গেছিলো। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন