

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরার পরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় ইডি-এর দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। রাত সওয়া ৯টা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।
ইডি সূত্রে খবর, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করেছিলেন সুজিত বসু। ওই তালিকায় কমপক্ষে ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। এবং দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করা হয়ছে।
ভোটের আগে একাধিক বার সুজিত বসুকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার জন্য হাজিরা দেননি বিধাননগর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী। ভোট মিটে যাওয়ার পর গত ১ মে ইডির দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। ভোটের ফল ঘোষণার পর সোমবার ফের হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনই সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গেছে, বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়ার পরেই তাঁকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে সুজিত বসুর বাড়ি এবং অফিসে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের যে ধাবাটি রয়েছে, সেখানেও ইডির অভিযান চলে। তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তাঁদের বয়ানও সংগ্রহ করা হয়েছিল।
সূত্রের খবর, সোমবার রাতেই শারীরিক পরীক্ষা হবে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীর। তার পরে রাখা হবে হেফাজতে। মঙ্গলবার সকালে তাঁকে আদালতে তুলবে ইডি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন