

আনন্দপুরের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিন জন শ্রমিকের মৃত্যু নিশ্চিত করল পুলিশ। এখনও বহুজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে, ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে থাকলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা। জানা গেছে, দুপুর ২টার পর আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর গ্যাসকাটার নিয়ে ভিতরে ঢুকেছেন দমকলকর্মীরা।
আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ওই গুদামে মূলত শুকনো খাবার, প্যাকেটজাত খাবার, ঠান্ডা পানীয়ের বোতল মজুত করা থাকত। মোমোও তৈরি হত। ফলে অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডার এবং পাম তেল মজুত ছিল। দমকল সূত্রে জানা গেছে, রাত ৩টে নাগাদ তাদের কাছে আগুন লাগার খবর আসে। খাবারের গুদাম এবং তার পাশে থাকা একটি ডেকরেটার্স সংস্থার গুদামেও আগুন ছড়িয়েছে। দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু গুদাম দুটি গলির ভিতরে থাকায় দমকলকর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হয়। দমকলের ১২টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় সোমবার বেলা ১১টার পর আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
গুদামে আগুন কী ভাবে লাগল, তা স্পষ্ট নয় এখনও। আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারের সদস্যেরা জানিয়েছেন, রাত ১টা থেকে গুদাম জ্বলছে। ভিতর থেকে কর্মীরা ফোন করেছিলেন। বাঁচার জন্য দেওয়াল ভাঙার চেষ্টাও করেছিলেন তাঁরা। তার পরে আর কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
সোমবার দুপুরে বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার শুভেন্দ্র কুমার বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।’’
দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, ''পুলিশ ও দমকল একযোগে কাজ করছে। ধোঁয়ার জেরে উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে। তবে আগের চেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।''
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন