UP: “৫০ টুকরো হয়ে যাবেন!” লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপালের

People's Reporter: আনন্দীবেন প্যাটেল বলেন, “লিভ-ইন সম্পর্কের পরিণতি দেখতে হলে অনাথ আশ্রমে চলে যান। ১৫ থেকে ২০ বছরের মেয়েরা সেখানে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে, কারও কোলে এক বছরের শিশু।”
উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল
উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেলছবি - সংগৃহীত
Published on

লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে ফের এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল। বুধবার বারাণসীর মহাত্মা গান্ধীকাশী বিদ্যাপীঠের ৪৭তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মেয়েদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “লিভ-ইন সম্পর্ক থেকে দূরে থাকুন, অন্যথায় আপনার ৫০ টুকরো খুঁজে পাওয়া যাবে।”

বুধবার রাজ্যপাল প্যাটেল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মেয়েদের উপর হিংসা এবং শোষণের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। তাই তিনি ছাত্রীদের ব্যক্তিগত জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন। তাঁর কথায়, “আজকাল লিভ-ইন সম্পর্ক ফ্যাশন হয়ে উঠেছে, কিন্তু আমাদের মেয়েরা যেন এতে না জড়ায়। সংবাদে যেভাবে মেয়েদের খুন, টুকরো টুকরো করে ফেলার খবর আসছে, তা হৃদয়বিদারক।”

প্যাটেল আরও বলেন, পকসো আইনের আওতায় তিনি অনেক নির্যাতিত মেয়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। প্রত্যেকেরই আলাদা ও বেদনাদায়ক গল্প রয়েছে। এক বিচারকের উদ্ধৃতি দিয়ে রাজ্যপাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে তারা লিভ-ইন সম্পর্কের মতো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে না জড়ায়।

তিনি জানান, গত দশ দিনে এমন একাধিক ঘটনার রিপোর্ট তাঁর হাতে এসেছে। প্রতিটি ঘটনার পেছনে তিনি দেখেছেন মেয়েদের সরলতা ও অজ্ঞতার সুযোগ নেওয়া হয়েছে। মেয়েদের উদ্দেশে তাঁর পরামর্শ, জীবনের লক্ষ্যকে উঁচুতে স্থির করতে হবে এবং স্বল্পমেয়াদি সম্পর্ক বা প্রলোভনের ফাঁদে না পড়াই শ্রেয়।

এর আগের দিনই অর্থাৎ মঙ্গলবার বলিয়ার জননায়ক চন্দ্রশেখর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে তিনি একই সুরে বলেছিলেন, “লিভ-ইন সম্পর্কের পরিণতি দেখতে হলে অনাথ আশ্রমে চলে যান। ১৫ থেকে ২০ বছরের মেয়েরা সেখানে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে, কারও কোলে এক বছরের শিশু।”

তিনি আরও দাবি করেন, “এই লিভ-ইন সম্পর্ক লোভ থেকেই জন্ম নিচ্ছে। পুরুষরা মেয়েদের প্রলুব্ধ করে, হোটেলে নিয়ে যায়, সন্তান হয়, তারপর ছেড়ে চলে যায়। এ আমাদের সংস্কৃতি নয়।”

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in