Bihar: বিহারে ১,৭১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মীয়মাণ সেতু তিন বছরে তিনবার ভেঙে পড়ল

People's Reporter: ৩.১৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ওই সেতুর জন্য নীতিশ কুমারের সরকার বরাদ্দ করে ১,৭১০ কোটি টাকা। ২০২২ সালে এই সেতুরই ভাগলপুরের দিকের অংশ ভেঙে যায়, ২০২৩ সালে খাগারিয়ার দিকে সেতুর অংশ ভেঙে যায়।
বিহারে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু
বিহারে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতুছবি - সংগৃহীত
Published on

নির্মাণকাজ চলাকালীন গত তিন বছরে তিন বার ভেঙে পড়ল বিহারের একটি সেতু। সুলতানগঞ্জের-আগুওয়ানি ঘাটে গঙ্গার উপর সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল নয় বছর আগে। শনিবার সেই সেতুটির একাংশ ভেঙে পড়েছে। তবে সেতু বিপর্যয়ে কোনো হতাহতের খবর মেলেনি। এই সেতুটি ভাগলপুর জেলার সঙ্গে খাগারিয়া জেলার সংযোগস্থাপনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।

খাগারিয়া থেকে সুলতানগঞ্জ অনেকটা পথ ঘুরে যেতে হয়। যার ফলে অনেক সময় লেগে যায়। এই কারণে যাতায়াত সহজ করতে এবং দূরত্ব কমাতে ২০১৫ সালে ওই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৩.১৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ওই সেতুর জন্য নীতিশ কুমারের সরকার বরাদ্দ করে ১,৭১০ কোটি টাকা। কিন্তু তার ন’বছর কেটে গেলেও এখনও সেতু নির্মাণ শেষ হয়নি।

শনিবার সেই নির্মীয়মাণ সেতুটির একটি অংশ ভেঙে পড়ে গঙ্গায়। এই নিয়ে গত দু’বছরে তিনবার ভেঙে পড়ল সেতুটি। বারবার সেতু ভেঙে পড়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও উঠছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালে এই সেতুরই ভাগলপুরের দিকের অংশ ভেঙে পড়েছিল। এরপর ২০২৩ সালের জুনে খাগারিয়ার দিকে সেতুর অংশ ভেঙে যায়। সেই সময় নির্মাণকারী সংস্থাকে জরিমানা করেছিল বিহার সরকার। এমনকি, ওই সংস্থাকে পুনর্নিমাণের খরচ বহনের নির্দেশ দেয় সরকার। তারপরেও ফের সেতু বিপর্যয়, প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in