Telangana: বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে ধান ফেলে বিক্ষোভ তেলেঙ্গানায়

তেলেঙ্গানার নিজামবাদ জেলার কিছু কৃষক মঙ্গলবার বিজেপি সাংসদ ধরমপুরী অরবিন্দের বাসভবনের সামনে ধান ফেলে দেয়। ধান সংগ্রহে কেন্দ্রের অস্বীকৃতির প্রতিবাদে তাঁদের এই বিক্ষোভ বলে জানা গেছে।
Telangana: বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে ধান ফেলে বিক্ষোভ তেলেঙ্গানায়
তেলেঙ্গানার বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে কৃষক বিক্ষোভছবি শ্রাবণ মুদিরেড্ডির ট্যুইটার ভিডিও থেকে স্ক্রীনশট

বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে নিজেদের চাষ করা ধান ফেলে রেখে বিক্ষোভ দেখালেন তেলেঙ্গানার কিছু কৃষক। তেলেঙ্গানার নিজামবাদ জেলার কিছু কৃষক মঙ্গলবার বিজেপি সাংসদ ধরমপুরী অরবিন্দের বাসভবনের সামনে ধান ফেলে দেয়। ধান সংগ্রহে কেন্দ্রের অস্বীকৃতির প্রতিবাদে তাঁদের এই বিক্ষোভ বলে জানা গেছে।

কৃষকদের অন্য এক দল আরমুরে নিজামবাদের সাংসদের সামনে ধান বোঝাই একটি ট্রাক্টর রেখে দেয়। উত্তেজিত কৃষকরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল।

মহিলা সহ কৃষকদের দাবি, বর্তমান রবি মরসুমে তেলেঙ্গানায় উত্পাদিত পুরো ধান কেন্দ্রর সংগ্রহ করা উচিত। এক কৃষকের অভিযোগ, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তেলেঙ্গানার প্রতি বৈষম্য করছে। কৃষকদের অভিযোগ, বিজেপি সাংসদ তাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন যে কেন্দ্র ধান সংগ্রহ করবে।

ক্ষমতাসীন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (টিআরএস) এই ইস্যুতে আন্দোলন শুরু করার পর তেলেঙ্গানায় কৃষকদের এই ধরনের প্রতিবাদ প্রথম। মুখ্যমন্ত্রী কে. চন্দ্রশেখর রাও, তাঁর পুরো মন্ত্রিসভা, টিআরএস সাংসদ, রাজ্য বিধায়ক এবং অন্যান্য দলের নেতারা দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখানোর একদিন পরে, কেন্দ্রের কাছে তেলঙ্গানা থেকে অন্যান্য রাজ্যের মতো ধান সংগ্রহের দাবি জানিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদী সরকারকে ২৪ ঘন্টা সময় দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়সীমার এক দিন পরেই হায়দরাবাদে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। যেখান থেকে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত দু'সপ্তাহ ধরে, টিআরএস তার দাবিতে চাপ দিতে তেলেঙ্গানা জুড়ে বিক্ষোভ করছে।

অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য টিআরএস সরকারকে দায়ী করে বিজেপিও সোমবার হায়দরাবাদে পাল্টা বিক্ষোভ করেছে। যেখানে দাবি করা হয় মুখ্যমন্ত্রী হয় কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করুন অথবা তাঁর পদ ছেড়ে দিন।

- with IANS inputs

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.