Telangana: প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতা, বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে ফসল ফেলে বিক্ষোভ তেলেঙ্গানায়

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে নিজামবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অরবিন্দ কৃষক সম্প্রদায়কে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হলে তিনি জেলায় টারমারিক বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে আসবেন।
Telangana: প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতা, বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে ফসল ফেলে বিক্ষোভ তেলেঙ্গানায়
তেলেঙ্গানায় বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে কৃষকদের বিক্ষোভ ছবি আইএএনএস ট্যুইটার হ্যান্ডেলের সৌজন্যে

তেলেঙ্গানার নিজামবাদ জেলার কিছু হলুদ চাষি রবিবার টারমারিক বোর্ডের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার প্রতিবাদে বিজেপি সাংসদ ধর্মপুরী অরবিন্দের বাসভবনের সামনে তাঁদের চাষ করা হলুদ ফেলে বিক্ষোভ দেখান।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে নিজামবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অরবিন্দ কৃষক সম্প্রদায়কে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হলে তিনি জেলায় টারমারিক বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে আসবেন এবং হলুদ ও লাল জোয়ারের উপযুক্ত ন্যূনতম সমর্থন মূল্য নির্ধারণ করবেন। এমনকি তিনি একটি নন-জুডিশিয়াল (বন্ড) স্ট্যাম্প পেপারে স্বাক্ষর করেছিলেন, যাতে বলা হয় সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হলে তিনি পাঁচ দিনের মধ্যে টারমারিক বোর্ড-এর অনুমোদন পাবেন।

কৃষকদের অভিযোগ, তিন বছর পেরিয়ে গেলেও নিজামবাদের সাংসদ তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কৃষকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত তিন বছরে, বিজেপি সাংসদ প্রায় এক লাখ হলুদ উৎপাদনকারী কৃষকদের জন্য মাত্র ১.৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ আনতে পেরেছেন। যদি সমস্ত হলুদ কৃষকদের মধ্যে সেই টাকা ভাগ করা হয় তবে তা মাথাপিছু ২০০ টাকারও কম হবে।

তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (টিআরএস) নেতা এবং নিজামাবাদের প্রাক্তন সাংসদ, কে. কবিতা গত সপ্তাহে দাবি করেছিলেন, আরটিআই-এর অধীনে এক উত্তর থেকে টারমারিক বোর্ড সম্পর্কে অরবিন্দের দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

কবিতা, যিনি তেলেঙ্গানা বিধানসভা পরিষদের সদস্য এবং মুখ্যমন্ত্রী কে. চন্দ্রশেখর রাও-এর কন্যা, অভিযোগ করেছেন, এক লক্ষ একর জমিতে ছড়িয়ে থাকা ৯০ হাজারেরও বেশি হলুদ চাষি বিজেপির দ্বারা প্রতারিত হয়েছে৷

আরটিআই থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০২০-২১ সালে কৃষক পিছু ১৯০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, ২০২১ সালে ১২৪ টাকা এবং ২০২২-২৩ সালে এখনও পর্যন্ত কিছুই বরাদ্দ করা হয়নি।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.