Tamilnadu: বন্দরের জন্য বাস্তুচ্যুত, ১৩ বছরেও মেলেনি প্রতিশ্রুত চাকরি, আন্দোলনে মৎস্যজীবীরা

তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলার কাট্টুপল্লী কুপ্পামের অন্তত ১৪০টি পরিবার, যারা ২০০৯ সালে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। একটি শিপইয়ার্ড এবং একটি বন্দর নির্মাণ প্রকল্পের কারণে তাঁদের বাস্তুচ্যুত করা হয়েছিলো।
Tamilnadu: বন্দরের জন্য বাস্তুচ্যুত, ১৩ বছরেও মেলেনি প্রতিশ্রুত চাকরি, আন্দোলনে মৎস্যজীবীরা
ছবি প্রতীকী ফাইল ছবি ইউটিউব থেকে সংগৃহীত

১৩ বছরেও মেলেনি প্রতিশ্রুত সরকারি চাকরি। তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলার কাট্টুপল্লী কুপ্পামের অন্তত ১৪০টি পরিবার, যারা ২০০৯ সালে বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। একটি শিপইয়ার্ড এবং একটি বন্দর নির্মাণ প্রকল্পের কারণে তাঁদের বাস্তুচ্যুত করা হয়েছিলো। বাস্তুচ্যুত করার সময় তাঁদের স্থায়ী চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিলো। বর্তমানে এই বন্দরের মালিক আদানি কাট্টুপল্লী পোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড।

সমস্যার অবসান ঘটাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা এবং একদল প্রবীণ নাগরিক মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের কাছে আবেদন করেছেন। বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর গভীর সমুদ্রে মাছ ধরে জীবিকা অর্জন করা পরিবারগুলিকে নিকটতম সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় ২ কিমি দূরে একটি জায়গায় বাসস্থান দেওয়া হয়েছিলো।

প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সংস্থার পক্ষ থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া প্রতি পরিবারের একজনকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার বিষয়ে লিখিতভাবে আশ্বাস দেওয়া হলেও তা পূরণ করা হয়নি। তাদের অস্থায়ী ভিত্তিতে ওয়েল্ডিং, ফিটিং ও ক্রেন অপারেশনে প্রশিক্ষণ ও চাকরি দেওয়া হয়।

এমনই একজন বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি, সজিথ লাল আইএএনএসকে জানিয়েছেন: "আমাদের কোম্পানির দ্বারা স্থায়ী চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এবং জেলা প্রশাসন এটি অনুমোদন করেছিল। বর্তমানে আমরা প্রত্যেকে সামান্য ১৬ হাজার টাকা বেতন পাচ্ছি, যখন একই কাজ করে স্থায়ী কর্মীরা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সহ আমাদের বেতনের তিনগুণ পাচ্ছেন।"

সজিথ আরও বলেন, তিনি সহ সমস্ত ঠিকা শ্রমিকরা ফেব্রুয়ারি থেকে ধর্মঘটে থাকলেও কোম্পানি ও জেলা প্রশাসন তাদের কথা শুনছে না। তামিলনাড়ু ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (টিআইডিসিও)ও তাদের বক্তব্য শোনেনি এবং তাদের সমস্যার সমাধান করেনি।

সমাজকর্মীরা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন কোম্পানি ও সরকারের পীড়াপীড়িতে ২০১৪ সালে শ্রমিকদের একটি সমবায় সমিতি গঠন করা হয় এবং এই সমিতির মাধ্যমে শ্রমিকরা কর্মরত হয়।

আইএএনএস-এর সাথে কথা বলার সময়, সি. রাজীব, সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের ডিরেক্টর, যিনি এই বিষয়টি দেখাশোনা করছেন তিনি জানান: "সরকারের এটি থেকে পিছপা হওয়া উচিত নয় এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে বিষয়টি নিয়ে যাওয়া উচিত। বর্তমানে এই বন্দরগুলি অন্য এক কোম্পানীর হাতে রয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, "কোম্পানির মালিক যেই হোন না কেন, সরকার এবং তিরুভাল্লুর জেলা প্রশাসন মৎস্যজীবীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। কাট্টুপল্লী কুপ্পামের মৎস্যজীবীদের পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে স্থায়ীভাবে চাকরি দেবার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সহায়তা প্রদান করতে হবে। আমরা রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় নৌপরিবহন মন্ত্রকের কাছে বিষয়টি নিয়ে যাচ্ছি।"

- with IANS inputs

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.