নর্থ ইস্টার্ন রেলওয়ের ১৪টি inquiry centre বেসরকারিকরণ, বৃহত্তর আন্দোলনের পথে রেল ইউনিয়নগুলি

মহামারী আবহে কর্মীরা নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে গিয়েছে। অভিযোগ, কেন্দ্র গোপনে পুরো বিষয়টি করতে চাইছে, যাতে কোনও বাধার মুখে পড়তে না হয়।
নর্থ ইস্টার্ন রেলওয়ের ১৪টি inquiry centre বেসরকারিকরণ, বৃহত্তর আন্দোলনের পথে রেল ইউনিয়নগুলি
ছবি - প্রতীকী

১৪ টি এনকোয়ারি সেন্টারকে বেসরকারিকরণের দিকে এগিয়ে দিয়ে রেলের পুরোপুরি বেসরকারিকরণের শেষ পেরেকটা মেরে দিয়েছে কেন্দ্র, এইভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রেল ইউনিয়নগুলি। বারাণসী ডিভিশনের পাশাপাশি নর্থ ইস্টার্ন রেলওয়ের ১৪ টি এনকোয়ারি সেন্টারকে বেসরকারিকরণের উদ্যোগ নিতেই বৃহত্তর আন্দোলনের পথে রেলওয়ে ইউনিয়নগুলো।

কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্তে রেলওয়ের কর্মী ও এনকোয়ারি স্টাফরা নিজেদের ক্ষোভ ব্যক্ত করে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন। বেসরকারিকরণ করে রেলওয়ে কর্মীদের অপমান করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন। মহামারী আবহে কর্মীরা নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে গিয়েছে। অভিযোগ, কেন্দ্র গোপনে পুরো বিষয়টি করতে চাইছে, যাতে কোনও বাধার মুখে পড়তে না হয়। ডিভিশনের মজদুর সঙ্ঘ স্টেট প্রেসিডেন্ট বিশেশ্বর রাই জানিয়েছেন, চুক্তিভিত্তিকভাবে যে কর্মীদের নেওয়া হয়েছিল, বেসরকারিকরণের ফলে তাঁরাও বিপদের মধ্যে পড়বেন।

একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পাটনার একটি বেসরকারি সংস্থা 'ওয়েব টেক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি'কে ১ জুলাই ২০২১ থেকে ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত টেন্ডার দেওয়া হয়েছে নর্থ ইস্টার্ন রেলওয়েসের। এই জন্য নর্থ ইস্টার্ন রেলওয়ে অ্যাডমিনিস্ট্রেশন একটি চুক্তিও সাক্ষর করেছে। এই বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের এজন্য প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।

নর্থ ইস্টার্ন রেলওয়ের মান্দুয়াদি এবং বারাণসী সিটি স্টেশনের এ-ওয়ান, এ, বি ও ডি ক্যাটাগরির স্টেশনকে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ডিভিশনের সমস্ত ট্রেনের তথ্য ও প্ল্যাটফর্মে পাঠানোর পরিচালনা পদ্ধতিও দেখভাল করবে এই বেসরকারি সংস্থাটি। সমস্ত ট্রেনের যাতায়ত সংক্রান্ত তথ্য যাত্রীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজও করবে এই এনকোয়ারি সেন্টারগুলো।

বেসরকারিকরণের পিছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এই এনকোয়ারি সেন্টারগুলোতে পর্যাপ্ত কর্মীর অভাব। কর্মীর অভাবে কাজের ক্ষেত্রে খুব অসুবিধা হচ্ছিল। যাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই পুরো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিভিশনের তরফে আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২০১৯-২০ সালে এই টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। তিনটি কোম্পানি এই স্বত্ত্ব নেওয়ার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে পুরো পদ্ধতি আটকে ছিল। অবশেষে একটি সংস্থাকে বেছে টেন্ডার চূড়ান্ত করা হয়েছে।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in