'প্রধানমন্ত্রীজী, আন্দোলনজীবীদের পরজীবী বলা গণতন্ত্রের কোন বইতে লেখা আছে?' - কংগ্রেস

'প্রধানমন্ত্রীজী, আন্দোলনজীবীদের পরজীবী বলা গণতন্ত্রের কোন বইতে লেখা আছে?' - কংগ্রেস
লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীলোকসভা টিভির সৌজন্যে

প্রধানমন্ত্রীর আন্দোলনজীবী মন্তব্য নিয়েও কড়া সমালোচনার পথে হাঁটলো কংগ্রেস। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর এক ট্যুইটের উত্তরে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক ট্যুইট বার্তায় বলা হয় – প্রধানমন্ত্রীজী, আন্দোলনজীবীদের পরজীবী বলা গণতন্ত্রের কোন বইতে লেখা আছে? মানুষের কণ্ঠরোধ করা গণতন্ত্রের কোন ভাবনার অঙ্গ? গণতন্ত্র সূচকই বলে দিচ্ছে যে আমাদের গণতন্ত্র কোন অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছে।

লোকসভা অধিবেশনে কৃষি আইন নিয়ে বিতর্ক থামছে না। সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই কৃষি আইন নিয়ে বিরোধীদের লাগাতার বিক্ষোভ চলছে। বুধবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এদিন একসময় কংগ্রেস সদস্যরা লোকসভার অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন।

এদিন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের ওপর জবাবি ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ চলাকালীন বারবার বিরোধী কংগ্রেস বেঞ্চ থেকে বাধা আসে। এই বাধাদানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা অধীর চৌধুরী। একসময় প্রধানমন্ত্রী অধীর চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে বলেন- কেন এভাবে বাধা দিচ্ছেন?

এদিন নিজের ভাষণে ফের কৃষি আইনের পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা ধেয়ে আসে বিরোধী বেঞ্চের থেকে।

কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর বলেন – লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বলতেন জয় জওয়ান, জয় কিষাণ। এবারের বাজেটের মূল বক্তব্য নো জওয়ান, নো কিষাণ।

এদিন লোকসভায় শিরোমণি আকালী দলের হরসিমরত কাউর বাদল বলেন – আমি মনে করি এখন আমাদের প্রথম শোনা দরকার কৃষকরা কী বলতে চান। তিনি আরও বলেন এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে কৃষকদের বিক্ষোভ আন্দোলনের সময় এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হলেও প্রধানমন্ত্রী এখনও এই বিষয়ে একটিও কথা বলেননি।

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in