Pegasus Project: নজরদারি কান্ডে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামছে কংগ্রেস
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীফাইল ছবি সংগৃহীত

Pegasus Project: নজরদারি কান্ডে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামছে কংগ্রেস

প্রসঙ্গত, গতকাল অনলাইন নিউজ প্ল্যাটফর্ম The Wire দাবি করে - ভারতের প্রায় ৪০ জন সাংবাদিক, একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, ব্যবসায়ী সহ ৩০০-র বেশি মোবাইল নাম্বার হ্যাক করেছে পেগাসাস স্পাইওয়্যার।

পেগেসাস নজরদারি কান্ডে দেশব্যাপী আন্দোলনে নামতে চলেছে কংগ্রেস। ইজরায়েলী সংস্থার তৈরি নজরদারি সফটওয়ারের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৩০০ টি মোবাইলে নজরদারি চালানো হয়েছে বলে সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে। এই নজরদারি চালানো ৩০০টি মোবাইলের মধ্যে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নিজের ২টি ফোন নম্বর রয়েছে বলে অভিযোগ। গতকাল এই অভিযোগ ওঠার পরেই সংসদেও এই বিষয়ে সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস।

প্রসঙ্গত, গতকাল অনলাইন নিউজ প্ল্যাটফর্ম The Wire দাবি করে - ভারতের প্রায় ৪০ জন সাংবাদিক, একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, ব্যবসায়ী সহ ৩০০-র বেশি মোবাইল নাম্বার হ্যাক করেছে পেগাসাস স্পাইওয়্যার। এক লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইজরায়েলি সংস্থা NSO গ্রুপ এই স্পাইওয়্যার কেবল নির্বাচিত সরকারকে বিক্রি করে সন্ত্রাসবাদী ও অপরাধীদের সন্ধানের জন্য। পেগেসাস নজরদারির বিষয়ে দ্য ওয়াশিংটন পোষ্ট, দ্য গার্ডিয়ান-এর মত প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই প্রত্যেকটি রাজ্য নেতৃত্বকে “রাজভবন অভিযান” –এর নির্দেশ দিয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পেগেসাস ইস্যুতে প্রতিটি রাজ্য ইউনিটকে সাংবাদিক সম্মেলন করতে হবে। রাজ্যসভাতে সাসপেনশন নোটিশও দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের তরফ থেকে। লোকসভায় পেগেসাস বিতর্কে মুলতুবি প্রস্তাব এনেছে কংগ্রেস।

মঙ্গলবার সকালে এক ট্যুইটে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে - 'তিনি বলেছিলেন আমাদের লক্ষ্য সন্ত্রাসবাদীরা। তার বদলে, তিনি দেশের নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছেন। আবকী বার জাসুস সরকার।'

পেগেসাস নজরদারির অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকাও তদন্ত করা উচিৎ বলেও কংগ্রেসের তরফ থেকে দাবি করা হয়। সোমবার কংগ্রেসের তরফ থেকে বলা হয় - “ দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কী বরখাস্ত করা উচিৎ নয়? প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিৎ”।

কংগ্রেসের তরফে আরও বলা হয়েছে- “ সাংবিধানিক পদমর্যাদা বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিক, প্রতিরক্ষা দপ্তরের বর্তমান এবং প্রাক্তন প্রধান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, আইনজীবীদের ফোনে নজরদারি চালানো অসাংবিধানিক। বিজেপি সরকারের এই অমার্জনীয় ক্রিয়াকলাপ জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতারই প্রতিফলন”।

- with inputs from IANS

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in