কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার দাবী বিরোধীদের - সকাল থেকে দু'বার মুলতুবি রাজ্যসভার অধিবেশন

কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার দাবী বিরোধীদের - সকাল থেকে দু'বার মুলতুবি রাজ্যসভার অধিবেশন
রাজ্যসভাপ্রতীকী ছবি সংগৃহীত

রাজ্যসভায় কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধীদের দাবীকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের জেরে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মুলতুবি করে দেওয়া হল অধিবেশন। মঙ্গলবার সকালে রাজ্যসভার অধিবেশন শুরু হতেই সম্মিলিত ভাবে বিরোধীরা কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার দাবী জানান। চেয়ারম্যান সেই দাবী মানতে অস্বীকার করলে আলোচনার দাবীতে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। এরপরেই পরপর দু'বার অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণা করা হয়।

এদিন বিরোধী দলগুলোর পক্ষে ধারা ২৬৭ অনুসারে এদিনের জন্য ‘সাসপেনশন অফ বিজনেস’-এর দাবী জানানো হয়। তাঁদের দাবী ছিলো দিল্লি সীমান্ত অঞ্চলে কৃষকরা প্রায় দু’মাস ধরে যে আন্দোলন চালাচ্ছেন আগে সেই বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।

এই বিষয়ে চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু জানান, এখন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ সূচক আলোচনার সময়। সদস্যরা তাতে অংশগ্রহণ করুন এবং মতামত দিন। তাছাড়া কৃষক আন্দোলনের বিষয়ে সরকার এবং কৃষকদের মধ্যে বহুবার আলোচনা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা গুলাম নবী আজাদ বলেন – দিল্লির সীমান্ত অঞ্চলে কৃষকরা গত দু’মাস ধরে অবস্থান করে আন্দোলন চালাচ্ছেন। এই বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা প্রয়োজন।

সিপিআইএম সাংসদ এলারাম করিম বলেন – আন্দোলনস্থল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। জল সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ডিএমকে-র পক্ষ থেকে বলা হয় গত দু’মাস ধরে প্রবল ঠান্ডায় কৃষকরা রাস্তায় বসে আছেন। এখনই এই বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।

আরজেডি-র মনোজ ঝা বলেন – সংসদে অবশ্যই এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

যদিও কোনো বিরোধী সাংসদের আবেদনেই সাড়া দেননি চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু। তিনি জানান – রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের জন্য ১০ ঘণ্টা বরাদ্দ করা আছে। তারপর কৃষি আইন বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এরপরেই কংগ্রেস, বাম সহ সমস্ত বিরোধীরা রাজ্যসভা থেকে ওয়াক আউট করেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সভার কাজ মুলতুবি করে দেওয়া হয়। পরে বিরোধীরা সভায় প্রবেশ করে ফের কৃষি আইন নিয়ে আলোচনার দাবীতে অনড় থাকেন। এরপরেই বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সভা মুলতুবি করে দেওয়া হয়।

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in