

ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান। বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। অজিত পাওয়ারের সাথে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরাও ওই সময় বিমানে ছিলেন বলে জানা গেছে। পাওয়ার সহ বিমানে থাকা মোট ৬ জনেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ)।
সকাল ৮টায় মুম্বাই থেকে বারামতী রওনা হয়েছিলেন এনসিপি প্রধান অজিত পাওয়ার। সেখানে চারটি নির্বাচনী জনসভায় (জেলা পরিষদের নির্বাচন) তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। পৌনে ৯টা নাগাদ বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ভেঙে পড়ে বিমানটি। মুহূর্তে আগুন ধরে যায় গোটা বিমানে। দুর্ঘটনার পরের একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে জ্বলছে দুমড়ানো-মুচড়ে যাওয়া ছোট্ট বিমানটি। ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে এলাকা। পুলিশ, জরুরী বিভাগের কর্মী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের দেখা গেছে।
ডিজিসিএ-র অনুমান, জরুরী অবতরণের চেষ্টার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। নিহতদের মধ্যে বাকিরা হলেন, দু'জন পাইলট, একজন বিমান সেবিকা এবং দু'জন নিরাপত্তারক্ষী।
৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার ২০২৩ সালে একাধিক বিধায়ককে সাথে নিয়ে কাকা শরদ পাওয়ারের এনসিপি ছেড়ে বেরিয়ে এসে পৃথক এনসিপি (অজিত পাওয়ার) গঠন করে এবং মহারাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন ‘মহাজুটি’ সরকারে যোগ দেন। মহারাষ্ট্র সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয় তাঁকে। ২০২৪ সালে মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ফের জয়ী হয় ‘মহাজুটি’ জোট। ফের উপমুখ্যমন্ত্রী হন অজিত পাওয়ার।
অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনিতা পাওয়ার রাজ্যসভার সাংসদ। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে - জয় পাওয়ার এবং পার্থ পাওয়ার।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন