

লখিমপুরে যেতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা সেখানে যেতে না পারলেও তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিদল লখিমপুরে পৌঁছে যান বুধবার। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি যাওয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী বলেন, "লখিমপুর যাওয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে আটকানো হচ্ছে না। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভীম আর্মিকে যেতে দেওয়া হয়েছে। অথচ কংগ্রেসকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটকে রাখা হয়েছে।"
এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রকে তোপ দাগেন রাহুল। তাঁর কথায়, “কৃষকদের উপর পরিকল্পিত হামলা এটা। তাদের জিপ দিয়ে পিষে দিচ্ছে মোদি সরকার। আমার পরিবারের উপর জুলুম করলেও কৃষকদের নিয়ে আমরা কথা বলবই।”
ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য তিনজনকে লখিমপুর খেরিতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। কিন্তু রাহুল গান্ধী লখনৌ বিমানবন্দরে নামতেই আটকে দেওয়া হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন - "ইউপি সরকারের অনুমতি এইরকমই। আপনাদের ক্যামেরায় এগুলো দেখান।" আপাতত বিমানবন্দরেই রাহুল গান্ধী ধর্নাতে বসেছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ছত্তিশগড়ের ভুপেশ বাঘেল ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ চান্নি।
প্রসঙ্গত, কাল সরকারি অনুষ্ঠানে যোগী সরকারের ভূয়শী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ভুল করেও লখিমপুরে কৃষক মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে একটি কথাও উচ্চারণ করেননি। মাত্র কয়েকদিন আগেই যেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে গাড়ি চালিয়ে বিক্ষোভরত কৃষকদের পিষে দিয়েছে, চারজন কৃষক-সহ মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার নৃশংসতাকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে গেলেন লখিমপুর থেকে মাত্র দেড়শো কিলোমিটার দূরে লখনৌতে দাঁড়িয়ে। ঘটনা নিয়ে কিছু বলা তো দূরের কথা, সামান্য শোকপ্রকাশ করলেন না প্রধানমন্ত্রী।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন