কর্ণাটক: পূর্ণ লকডাউনের পক্ষে ইয়েদুরাপ্পা সরকার, বিপক্ষে সাধারণ মানুষ - দাবি মুখ্যসচিবের

শনিবার কর্ণাটকের মুখ্যসচিবের বক্তব্যে কার্যত তিনি রাজ্যবাসীকেই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুসারে – রাজ্যের মানুষ এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। সরকার একা সবকিছু করতে পারেনা।
কর্ণাটক: পূর্ণ লকডাউনের পক্ষে ইয়েদুরাপ্পা সরকার, বিপক্ষে সাধারণ মানুষ - দাবি মুখ্যসচিবের
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পাফাইল ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী যদিও গত মঙ্গলবার জানিয়েছেন লকডাউনকে একেবারে শেষ অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ করা উচিৎ কিন্তু কর্ণাটক সরকার লকডাউনের পক্ষে। যদিও রাজ্যের সাধারণ মানুষ লকডাউন চাইছেন না। শনিবার সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন বিজেপি শাসিত কর্ণাটকের মুখ্যসচিব পি রবি কুমার। এদিন তিনি আরও বলেন – সরকার এই মুহূর্তে লকডাউনের পক্ষে। সপ্তাহ শেষে যে লকডাউন হচ্ছে তা সারা সপ্তাহ ধরে চালাতে চাইছে সরকার। কিন্তু, রাজ্যের মানুষ এখন লকডাউন চাইছেন না।

শনিবার কর্ণাটকের মুখ্যসচিবের বক্তব্যে কার্যত তিনি রাজ্যবাসীকেই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুসারে – রাজ্যের মানুষ এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। সরকার একা সবকিছু করতে পারেনা। সাধারণ মানুষেরও উচিৎ প্রয়োজন না হলে বাইরে না বেরোনো। বেরোলেও মাস্ক পরা উচিৎ।

গত ২০ এপ্রিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা লকডাউন ঘোষণা থেকে পিছু হটেছিলেন। তার বদলে আগামী ৪ মে পর্যন্ত রাত্রিকালীন কার্ফু জারি করা হয়েছিলো। কর্ণাটকের কংগ্রেস সভাপতি ডি শিবকুমারের বক্তব্য অনুসারে, কর্ণাটক সরকার লকডাউন জারি করে দিত। কিন্তু গত মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার।

আগামী ২৬ এপ্রিল রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এক বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। এই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রীসভার সদস্যদের কাছ থেকে লকডাউনের বিষয়ে মতামত জানতে চাইবেন। এর পরেই সিদ্ধান্ত হবে রাজ্যে লকডাউন জারি হবে অথবা লকডাউনের মত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করা হবে।

শনিবার সকালে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুসারে শেষ ২৪ ঘণ্টায় কর্ণাটকে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ২৬,৯৬২ জন।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in