Karnataka: ইয়েদুরিয়াপ্পার সময় নিযুক্ত সরকারি বোর্ড, কর্পোরেশন প্রধানদের ইস্তফার নির্দেশ রাজ্য BJP-র

এই ঘটনাকে ইয়েদুরিয়াপ্পার জন্য একটি ধাক্কা হিসাবে দেখা হচ্ছে। যিনি এতদিন পর্যন্ত পার্টি বিষয়ক সিদ্ধান্তের ভারপ্রাপ্ত ছিলেন। দলের এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত কর্ণাটকের রাজনৈতিক মহল।
বিএস ইয়েদুরাপ্পা
বিএস ইয়েদুরাপ্পাফাইল চিত্র সংগৃহীত

কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা বি এস ইয়েদুরিয়াপ্পার সময়ে নিযুক্ত বিভিন্ন সরকারি বোর্ড এবং কর্পোরেশনের প্রধানদের পদত্যাগ করার নির্দেশ দিল রাজ্য বিজেপি।

এই ঘটনাকে ইয়েদুরিয়াপ্পার জন্য একটি ধাক্কা হিসাবে দেখা হচ্ছে। যিনি এতদিন পর্যন্ত পার্টি বিষয়ক সিদ্ধান্তের ভারপ্রাপ্ত ছিলেন। দলের এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত কর্ণাটকের রাজনৈতিক মহল।

বিভিন্ন সরকারী বোর্ড এবং কর্পোরেশনের প্রধানরা সাধারণত ক্ষমতাসীন দলগুলির দ্বারা নির্বাচিত রাজনৈতিক প্রার্থী। প্রধানরা একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সুবিধা ভোগ করেন।

সম্প্রতি, কর্ণাটক বিজেপির সভাপতি নলিন কুমার কাতিল এবং মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বিষয়গুলি সম্পর্কে ইয়েদুরিয়াপ্পাকে অবহিত করতে তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন বেঙ্গালুরুতে আসেন, তখন ইয়েদুরিয়াপ্পার প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

যদিও এর পরেই সমস্ত বোর্ড এবং কর্পোরেশনের প্রধানদের বদল করার সিদ্ধান্তকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরিয়াপ্পার ছায়া এড়িয়ে বিজেপির অন্য ভাবনার কথা সামনে উঠে আসছে। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই মঙ্গলবার জানিয়েছেন যে ৬ মাস আগেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বোম্মাই বলেন, "কোর কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে বিভিন্ন বোর্ড এবং কর্পোরেশনের প্রধানদের বদল করা হবে। বিশেষ করে যারা তাদের পদে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছেন তাদের অন্যদের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সরে যেতে হবে।"

বোম্মাই আরও বলেন, "অন্যদের কি সুযোগ দেওয়া উচিত নয়?"

অন্যদিকে ইয়েদুরিয়াপ্পা সবেমাত্র লন্ডন সফর থেকে ফিরেছেন এবং তাঁর ছেলে বিজেপির সহ-সভাপতি বি ওয়াই বিজয়েন্দ্রের রাজনৈতিক কর্মজীবনের দিকে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেছেন।

সম্প্রতি বিজেপি এমএলসি নির্বাচনে ইয়েদুরিয়াপ্পার ছেলের টিকিট প্রত্যাখ্যান করে। যার কারণ হিসেবে বলা হয় বিজেপি পারিবারিক রাজনীতিকে উত্সাহ জোগাবে না।

যদিও বিজয়েন্দ্রকে টিকিট না দেওয়া হলেও বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী মুরুগেশ নিরানির ভাই হনুমন্ত নিরানি এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টারের ভাই প্রদীপ শেত্তারকে এমএলসি টিকিট দেওয়া হয়। যা ইঙ্গিত দেয় যে বিজেপি এই মুহূর্তে দলের মধ্যে কোনও পালটা শক্তিকেন্দ্র তৈরি করতে চাইছে না।

সূত্র অনুসারে, এক বছরেরও কম সময় বাকি থাকা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে বিজেপি বেশ কিছু নতুন মুখ আনতে চাইছে। বিজেপি মন্ত্রিসভায় ১০ নতুন মুখকে অন্তর্ভুক্ত করার এবং নন-পারফর্মারদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

- with inputs from IANS

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in