Karnataka: নেতৃত্ব নিয়ে BJP-র বিবাদের মাঝেই রাজ্যে ৬ মাসের জন্য পুর নির্বাচন স্থগিত

রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপির মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে চলা বিবাদের মধ্যেই আগামী ৬ মাস সমস্ত পুরভোট স্থগিত করলো রাজ্য প্রশাসন। যদিও নির্বাচন স্থগিতের কারণ হিসেবে করোনা মহামারীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বি এস ইয়েদুরাপ্পা
বি এস ইয়েদুরাপ্পাফাইল ছবি সংগৃহীত
Published on

রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপির মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে চলা বিবাদের মধ্যেই আগামী ৬ মাস সমস্ত পুরভোট স্থগিত করলো রাজ্য প্রশাসন। যদিও নির্বাচন স্থগিতের কারণ হিসেবে করোনা মহামারীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নগর উন্নয়ন বিভাগের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। যে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে সমস্ত জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক কমিশনার, জোনাল কমিশনার, পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক এবং তহসিলদারদেরকে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে এই বিষয়ে নগর উন্নয়ন দপ্তর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তারা শুধুমাত্র গত ২৬ শে এপ্রিল রাজ্য মন্ত্রিসভার গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করছে।

ওই বিজ্ঞপ্তি অনুসারে - "২৬ শে এপ্রিল রাজ্য মন্ত্রিসভা ক্রমবর্ধমান কোভিড সংক্রমণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে তার প্রধান উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নগর উন্নয়ন বিভাগ সিটি পৌর কর্পোরেশন, নগর পঞ্চায়েত এবং সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি চেয়ারম্যান ও উপ-চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।"

কর্ণাটক রাজ্য জুড়ে আটটি সিটি কর্পোরেশন, ৪৩ টি সিটি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (সিএমসি), ৯৪ টি শহর মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (টিএমসি), ৬৮ টি শহর পঞ্চায়েত (টিপি) এবং চারটি নোটিফায়েড এরিয়া কমিটি (ন্যাক) রয়েছে।

এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশনগুলি ১৯৭৬ সালের কর্ণাটক পৌর কর্পোরেশন আইন এবং অন্যান্য পুর বোর্ডগুলো কর্ণাটক পৌর আইন দ্বারা পরিচালিত।

এই প্রতিটি নগর স্থানীয় সংস্থাকে (ইউএলবি) ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়েছে। যেখানে প্রতি পাঁচ বছরের ব্যবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাজ্য সরকার জনসংখ্যা, আবাসের ধরণ, ভৌগোলিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে ওয়ার্ড গঠন করে।

কর্ণাটক গত বছর কেবলমাত্র বেঙ্গালুরু নাগরিক সংস্থা পরিচালনা করার জন্য এক নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে বৃহৎ বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকা এবং এর ফলস্বরূপ, ওয়ার্ডের ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বৃহত্তম নাগরিক সংস্থার নির্বাচন স্থগিত আছে।

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in