

অনেক বিজেপি শাসিত রাজ্যেও বিষ মদ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। কোনো বিরোধী নেতা নয়, একথা বলেছেন বিজেপির সাংসদ নিজেই। নালন্দা বিষমদ কান্ডে ১৩ জনের মৃত্যুর পর যখন ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, তখন এভাবেই তাঁর পাশে দাঁড়ালেন সে রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুশীল কুমার মোদী।
বিজেপি সাংসদ বলেন, "২০১৫ সালে মহারাষ্ট্রে যখন বিজেপির সরকার ছিল, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, সেখানে বিষমদ খেয়ে ১০২ জন মারা গিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় ১০৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুই রাজ্যেই বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে।"
তাঁর কথায়, মদ নিষিদ্ধ এবং বিষমদ খেয়ে মৃত্যু এই দূটি ভিন্ন জিনিস, আবার একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
আর কয়েকদিন পরেই উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগে বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্যে রীতিমত অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির।
মদ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিজেপি এবং তার জোট শরিক জেডিইউ-এর দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে। মদ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে গাফিলতি থেকে গিয়েছে বলে দাবি বিজেপির। এই নিয়ে মিডিয়ার সামনেও একাধিকবার সরব হয়েছে বিজেপি। নালন্দা কান্ডের পরেও সরব হয়েছে বিজেপি। জেডিইউ-র তরফ থেকে আজ স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে সরকারে থাকতে গেলে মিডিয়াতে মদ নিষিদ্ধ নিয়ে বিবৃতি দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন