ছত্তিশগড়ে কয়লা কান্ড এবং মানি লন্ডারিং মামলায় আইএএস অফিসার সমীর বিষ্ণোই (IAS Sameer Vishnoi)-কে গ্রপ্তার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। শুধু তাই নয়, বৃহস্পতিবার, বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশির পর ইন্দ্রমণি গোষ্ঠীর সুনীল আগরওয়াল ও অভিযুক্ত সূর্যকান্ত তিওয়ারির কাকা লক্ষ্মীকান্ত তিওয়ারিকেও গ্রেপ্তার করেছে ইডি।
সূত্রের খবর, আর এক অভিযুক্ত আইএএস অফিসার রানু সাহু (IAS Ranu Sahu)-কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁকেও খুঁজে বেড়াচ্ছে ইডি।
অভিযোগ, খনি থেকে প্রতি এক টন (১০০০ কেজি) কয়লা বের করতে ২৫ টাকা করে তোলা নেওয়া হচ্ছে। তা নিয়ে বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে ইডি।
বুধবার থেকে টানা দু’দিন, ছত্তিশগড়ের একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি।
এর আগে ছত্তিশগড় সরকারকে একটি চিঠি লিখেছিল আয়কর দফতর। যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের ঘনিষ্ঠ কিছু অফিসার কয়লা এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কমিশন/ঘুষ নেওয়ার সাথে জড়িত আছেন। যদিও, এই চিঠির পরেও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ।
সূত্র অনুসারে, আইএএস জেপি মৌর্য (IAS J.P. Maurya) এবং রানু সাহুর (IAS Ranu Sahu) বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং এজেন্সি (ইডি)।
এর আগে, এই ধরণের অভিযানকে ‘রাজনৈতিক অভিযান’ বলে অভিহিত করেছিলেন, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল (Chhattisgarh CM Bhupesh Baghel)।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন